রাজবাড়ী প্রতিনিধি:
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। কথিত সুফি সাধক নুরা পাগলের লাশ কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, তার বাড়িঘরেও হামলা চালিয়েছে স্থানীয় তৌহিদি জনতা। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।ঘটনাস্থল সূত্রে জানা যায়, নুরা পাগলের মাজার ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ ও অসামাজিক কার্যকলাপের কারণে স্থানীয়দের ক্ষোভ ছিল দীর্ঘদিনের। কিন্তু ক্ষোভ প্রকাশের পথ হিসেবে লাশ উত্তোলন ও পুড়িয়ে ফেলার ঘটনা অনেককে বিস্মিত করেছে। অনেকেই বলছেন, ইহুদি-নাসারারাও এ ধরনের অমানবিক কাজ করে না, মুসলিম হিসেবে লাশের প্রতি এমন আচরণ শোভন নয়।স্থানীয়দের দাবি, তারা চাইলে মাজারে মানুষ আসা বন্ধ করতে পারত বা কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে আনতে পারত। কিন্তু মৃত ব্যক্তির লাশ ও তার পরিবারের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করা উচিত হয়নি। এতে সমাজ ও রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলার ভয়াবহ অবনতির প্রতিফলন ঘটেছে। ঘটনার আরেকটি বিস্ময়কর দিক হলো—নুরা পাগলের দাফনের পর ১৪ দিন অতিক্রান্ত হলেও তার লাশে কোনো পচন ধরেনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কবর থেকে তোলা লাশ তখনও অক্ষত অবস্থায় ছিল এবং প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে নিয়ে গিয়ে তা পোড়ানো হয়। বিষয়টি এলাকাজুড়ে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। ধর্মীয় বিশ্লেষকরা বলছেন, মহান আল্লাহর সৃষ্টি অসীম ও বিস্ময়কর। বৈরাগ্য, ফকিরানী বা মারফতি জীবনযাপনকারীরা দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য জীবনযাপন করে থাকেন। তবে লাশ পুড়িয়ে ফেলা কতটা যৌক্তিক—তা আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন। এ ঘটনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহল বলছে, আইন হাতে তুলে নেওয়ার ঘটনা প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরা পাগলের লাশ পুড়িয়ে ফেলার এ ঘটনা সারাদেশে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |