কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার বহুলবাড়িয়া ইউনিয়নের সাহেবনগর গ্রামে এক ভিন্নধর্মী কৃষি উদ্যোগের নজির স্থাপন করেছেন তরুণ উদ্যোক্তা হাফেজ মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম। মরুভূমির প্রাণী হিসেবে পরিচিত দুম্বা লালন-পালনের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যেই এলাকায় সৃষ্টি করেছেন ব্যাপক আগ্রহ ও কৌতূহল।
প্রায় দেড় বছর আগে ছোট পরিসরে শুরু হওয়া এই খামারটি বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ১২টি দুম্বা নিয়ে এক সম্ভাবনাময় উদ্যোগে। দেশীয় পরিবেশে বিদেশি প্রজাতির এ প্রাণী লালন-পালন সহজ নয়, তবে নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তি, অধ্যবসায় এবং সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে রাকিবুল ইসলাম সফলতার পথে এগিয়ে চলেছেন।
খামার ঘুরে দেখা যায়, পরিপাটি পরিবেশে যত্নের সঙ্গে লালন করা হচ্ছে প্রতিটি দুম্বা। নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা—সবকিছুতেই রয়েছে আধুনিকতার ছোঁয়া। স্থানীয়দের অনেকেই প্রতিদিন খামারটি দেখতে আসেন, নতুন এই প্রাণী সম্পর্কে জানতে চান এবং অনেকে আগ্রহী হচ্ছেন এমন উদ্যোগে যুক্ত হতে।
খামার মালিক হাফেজ মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম বলেন, “দুম্বা সাধারণত মরুভূমি অঞ্চলে বেশি দেখা যায়, তবে সঠিক পরিচর্যা ও পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারলে আমাদের দেশেও এটি সফলভাবে পালন সম্ভব। আমি শুরুতে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি, কিন্তু এখন আশার আলো দেখতে পাচ্ছি।”
তিনি আরও জানান, দুম্বার মাংস অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর হওয়ায় বাজারে এর চাহিদাও দিন দিন বাড়ছে। ভবিষ্যতে খামারটি আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে তার।
স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন প্রজাতির পশুপালন গ্রামীণ অর্থনীতিতে বৈচিত্র্য আনতে পারে এবং তরুণদের উদ্যোক্তা হতে উদ্বুদ্ধ করবে। এ ধরনের উদ্যোগ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দেশের প্রাণিসম্পদ খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
সাহেবনগরের এই দুম্বা খামার এখন শুধু একটি খামার নয়, বরং স্বপ্ন দেখার এক অনন্য উদাহরণ। মরুভূমির দুম্বা আজ কুষ্টিয়ার সবুজ প্রান্তরে নতুন সম্ভাবনার গল্প বলছে—যেখানে সাহস, শ্রম আর উদ্ভাবনী চিন্তার মিলনে গড়ে উঠছে সাফল্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
যোগাযোগ: ০১৭৪২৫৫১২৯৪, ০১৬০১৫৫১২৯৪
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |