কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন অফিস ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালিত হয়। সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সিভিল সার্জন অফিসে এবং দুপুর দুইটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে অভিযান চলে। দুদকের সমন্বিত কুষ্টিয়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বিজন কুমার রায়ের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি টিম এ অভিযানে অংশ নেয়। দুদক সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন অফিসে ১১৫ জন নিয়োগ সংক্রান্ত সার্কুলার নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এজন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা নেওয়া হয়েছে। অভিযান চলাকালে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার মান, খাবার ও ওষুধ বিতরণ, চিকিৎসকদের ডিউটি পালন, রোগীদের সাথে আচরণ এবং সামগ্রিক সেবার মান যাচাই করা হয়। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন দুদক কর্মকর্তারা এবং রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন। রোগীরা অভিযোগ করেন, অনেক সময় নির্ধারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা হাসপাতাল থেকে না করিয়ে বাইরে থেকে করাতে হয়, যা অতিরিক্ত ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। দুদক টিম এক্স-রে মেশিনসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতির কার্যকারিতা এবং ব্যবহারিক অবস্থা সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে অনেক অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে টিম। দুদকের হঠাৎ উপস্থিতিতে রোগী ও তাদের স্বজনদের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে। তারা মনে করেন, এ ধরনের পদক্ষেপ সাময়িক ভোগান্তি কমাতে সাহায্য করলেও হাসপাতালের সেবার মান উন্নত করতে নিয়মিত ও আকস্মিক তদারকি প্রয়োজন।একজন রোগীর স্বজন বলেন, “অভিযান হলে কয়েকদিন ভয়ের পরিবেশ থাকে, পরে আবার আগের মতো হয়ে যায়। তাই নিয়মিত নজরদারি জরুরি। দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাপ্ত অভিযোগ যাচাই করে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয় জনগণ আশা প্রকাশ করেছেন, নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল আরও সেবামুখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |