| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

অপহরণের পর ১০ কোটি টাকা আদায়ের মামলায় গণমুক্তিফৌজের লিপটন গ্রেপ্তার

রিপোর্টারের নামঃ MD MUNZURUL ISLAM
  • আপডেট টাইম : 07-10-2025 ইং
  • 151259 বার পঠিত
অপহরণের পর ১০ কোটি টাকা আদায়ের মামলায় গণমুক্তিফৌজের লিপটন গ্রেপ্তার
ছবির ক্যাপশন: অপহরণের পর ১০ কোটি টাকা আদায়ের মামলায় গণমুক্তিফৌজের লিপটন গ্রেপ্তার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : 

ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১০ কোটি টাকা আদায়ের মামলায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চরমপন্থী সংগঠন গণমুক্তিফৌজের সশস্ত্র কিলার বাহিনীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির ওরফে লিপটনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুর রহমানের আদালতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। এদিন লিপটনকে আদালতে হাজির করে শুনানি শেষে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক কৃষ্ণদাস বৈরাগী লিপটনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। ওইদিন আদালত শুনানির জন্য ৬ অক্টোবর তারিখ নির্ধারণ করেন।

প্রসঙ্গত, গত ৬ জুন কুষ্টিয়ার দূর্বাচারা গ্রামে অভিযান চালিয়ে সেনাবাহিনীর একটি দল লিপটনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে ওই এলাকার কয়েকটি মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ গুম পরিবার কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ মো. বেলাল হোসেন চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি মিরপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আসামি করা হয়।

অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সিরাজুল ইসলাম, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক আনোয়ার লতিফ খান, সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান, নিলুফার আহমেদ, ডা. মোহাম্মদ শহীদুল বারী, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. শফিউল আলম ও সাজ্জাদ আহম্মেদ প্রমুখ।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৬ সালের ১০ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ডে এসবি কাউন্টারের সামনে থেকে বেলাল হোসেনকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করা হয়। তাকে চোখ বেঁধে ও মাথায় কালো টুপি পরিয়ে আয়নাঘরে ৩১ দিন গুম করে রাখা হয়।

এই সময় মুক্তিপণের জন্য ১০ কোটি টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাকে হত্যা ও পরিবারের সদস্যদের মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয়। পরে ১০ কোটি টাকা দিয়ে বেলাল হোসেন মুক্তি পান।

এ বিষয়ে বেলাল হোসেন বলেন,

“আমি ন্যায়বিচার চাই। যারা আমার সঙ্গে এমন করেছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হোক। আসামিদের যেন দ্রুত গ্রেপ্তার করা হয়।”

ঘটনাটি দেশে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোর পথ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় অনুপম