কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সাংবাদিক রফিকুল্লাহ কালবীর ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদ। হামলার ঘটনায় যেই জড়িত থাকুক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেছেন ক্লাব নেতৃবৃন্দ।
বুধবার (৮ অক্টোবর) রাতে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের সভাপতি আল-মামুন সাগর।
সভায় জানানো হয়, গত সোমবার (৭ অক্টোবর) রাতে ফেসবুক কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সাংবাদিক রফিকুল্লাহ কালবীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার প্রধান আসামি দৈনিক খবরওয়ালা পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও “ভয়েজ অফ কুষ্টিয়া” ফেসবুক পেজের মালিক মুন্সী শাহীন আহমেদ জুয়েল।
এ ঘটনায় ক্লাবের তিন সদস্যের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তে অভিযুক্ত তিন সদস্যের সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। তারা হলেন—দৈনিক খবরওয়ালা পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুন্সী শাহীন আহমেদ জুয়েল, দৈনিক ট্রাইব্যুনাল পত্রিকার কুষ্টিয়া প্রতিনিধি আমিন হাসান, এবং দৈনিক যায়যায়দিন ও গ্লোবাল টিভি-এর কুষ্টিয়া প্রতিনিধি সামিউল আজিম (সনি আজিম)।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কেন স্থায়ীভাবে সদস্যপদ বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে শোকজ নোটিশ প্রদান করা হয়েছে এবং গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ১০ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এ এম জুবায়েদ রিপন, সিনিয়র সহসভাপতি লুৎফর রহমান কুমার, সহসভাপতি নুরুন্নবী বাবু, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু, যুগ্ম সম্পাদক দেবাশীষ দত্ত, কোষাধ্যক্ষ এম লিটন-উজ-জামান, দপ্তর সম্পাদক মোকাদ্দেস হোসেন সেলিম, প্রচার প্রকাশনা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক তৌহিদী হাসান, ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিনসহ নির্বাহী সদস্য আনিসুজ্জামান ডাবলু, এম এ জিহাদ, এ এইচ এম আরিফ, নুরুল কাদের ও এস এম রাশেদ।
সভায় নেতৃবৃন্দ জানান, সাংবাদিক রফিকুল্লাহ কালবীর ওপর হামলার ঘটনায় কুষ্টিয়া প্রেসক্লাব গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। সাংবাদিক সমাজের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় ক্লাব আপসহীন থাকবে। পাশাপাশি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |