কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ঘিরে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলাতে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। উন্নয়ন, সুশাসন এবং জনসম্পৃক্ততার অঙ্গীকার নিয়ে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন সোহেল খন্দকার। তার এ অগ্রযাত্রা ইতোমধ্যেই স্থানীয়দের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্বকারী এই নেতৃত্ব নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করছেন মাঠপর্যায়ে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন, সামাজিক উদ্যোগে সম্পৃক্ততা এবং বাস্তবমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে তিনি ধীরে ধীরে মানুষের আস্থা অর্জন করছেন।
সোহেল খন্দকার বলেন, “মিরপুরের সামগ্রিক উন্নয়নই আমার মূল লক্ষ্য। একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও জনবান্ধব উপজেলা গড়ে তুলতে হলে প্রয়োজন সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ। আমি সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি।”
তার ঘোষিত অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে রয়েছে—স্থানীয় অবকাঠামোর উন্নয়ন, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, শিক্ষার মানোন্নয়ন, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য টেকসই সহায়তা প্রদান। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে মিরপুর উপজেলা একটি আত্মনির্ভরশীল ও উন্নত জনপদে পরিণত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, বর্তমান সময়ের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রয়োজন বাস্তবভিত্তিক ও দূরদর্শী নেতৃত্ব। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে সোহেল খন্দকার-এর পরিকল্পনা ও কর্মতৎপরতা মিরপুরে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচন করতে পারে।
এদিকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মিরপুরবাসীর প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, “ঈদ আমাদের মধ্যে সম্প্রীতি, ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে। এই পবিত্র উৎসব সকলের জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।”
উল্লেখ্য, সোহেল খন্দকার বর্তমানে ‘দৈনিক বাংলার কণ্ঠ’-এর সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থেকে জনকল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।
সব মিলিয়ে, নেতৃত্বের নতুন সম্ভাবনা ও উন্নয়নের প্রত্যাশা নিয়ে মিরপুর উপজেলার মানুষের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন সোহেল খন্দকার। স্থানীয়দের বিশ্বাস—দূরদর্শী পরিকল্পনা, সততা এবং জনসম্পৃক্ত উদ্যোগের সমন্বয়ে তিনি এই জনপদকে একটি আধুনিক ও আদর্শ উপজেলায় রূপ দিতে সক্ষম হবেন
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |