মেহেরপুর প্রতিনিধি : হীরক খান
ঐতিহাসিক মুজিবনগর—বাংলার স্বাধীনতার সূতিকাগার—আবারও নতুন করে আলোচনায়। উন্নয়ন, সম্ভাবনা ও জনসেবার প্রত্যাশায় মুখর এই জনপদে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে বইছে নতুন আশার হাওয়া। সেই আশার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নাসিম সুলতান সোহেল, যার কণ্ঠে উচ্চারিত স্লোগান—“একসাথে মুজিবনগর—সেরা উন্নয়ন অগ্রগতি”—আজ সাধারণ মানুষের মুখে মুখে।
১৯৭৭ সালের ১৫ জুলাই জন্মগ্রহণ করা নাসিম সুলতান সোহেল শিক্ষাজীবনে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করে নিজেকে প্রস্তুত করেছেন জ্ঞান ও নেতৃত্বের সমন্বয়ে। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস খাতে তার সফল পদচারণা তাকে দিয়েছে বাস্তবমুখী অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার এক দৃঢ় ভিত্তি। মার্চেন্ডাইজিং, মার্কেটিং, ব্যবসা উন্নয়ন এবং টিম ম্যানেজমেন্টে তার দক্ষতা তাকে একজন সুসংগঠক, পরিকল্পনাবিদ ও দূরদর্শী নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
পারিবারিকভাবেও তিনি জনসেবার এক উজ্জ্বল ঐতিহ্যের ধারক। তাঁর বাবা জনাব বাবু শেখ টানা চারবার মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে এলাকার মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। একইভাবে তাঁর দাদাও চেয়ারম্যান হিসেবে জনগণের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ফলে ছোটবেলা থেকেই জনসেবার এক নিবেদিত পরিবেশে বেড়ে ওঠা নাসিম সুলতান সোহেলের মধ্যে গড়ে উঠেছে মানুষের প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা ও আন্তরিকতা।
রাজনৈতিকভাবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর আদর্শে বিশ্বাসী। তার মতে, সততা, শিক্ষা, মানবিকতা ও উন্নয়নমুখী নেতৃত্বই পারে একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তুলতে।
মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার বাগোয়ান গ্রামের কৃতি সন্তান হলেও কর্মসূত্রে বর্তমানে তিনি ঢাকার মিরপুর-২ এলাকায় অবস্থান করছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন ধর্মপ্রাণ, সৎ ও পরিবারমুখী মানুষ হিসেবে সুপরিচিত। তবে তার সবচেয়ে বড় পরিচয়—তিনি একজন স্বপ্নদ্রষ্টা, যিনি মুজিবনগরকে একটি আধুনিক, উন্নত ও জনবান্ধব উপজেলায় রূপান্তরিত করার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, তরুণ নেতৃত্ব, পেশাগত অভিজ্ঞতা এবং জনসেবার প্রতি অঙ্গীকার—এই তিনের সমন্বয় নাসিম সুলতান সোহেলকে একটি শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখন সময়ই বলে দেবে, উন্নয়নের এই অঙ্গীকার কতটা বাস্তবে রূপ পায়। তবে ইতোমধ্যেই মুজিবনগরের পথে-ঘাটে, চায়ের আড্ডায়, জনসমাগমে একটি কথাই বারবার উচ্চারিত হচ্ছে—
“একসাথে মুজিবনগর—সেরা উন্নয়ন অগ্রগতি।”
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |