কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ১ নং কয়া ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব ভবন নির্মাণের দাবিতে ক্রমেই জোরালো হয়ে উঠছে স্থানীয়দের কণ্ঠ। দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী অবকাঠামোর অভাবে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে—এমন অভিযোগে সরব হয়েছেন ইউনিয়নবাসী।
মঙ্গলবার (২ জুন) সরেজমিনে দেখা যায়, একটি পুরাতন ও অস্থায়ী কার্যালয়ে সীমিত পরিসরে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো না থাকায় সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি নিত্যদিনের বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে। অথচ ইউনিয়ন পরিষদের নামে নিজস্ব জমি থাকা সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত স্থায়ী ভবন নির্মাণ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের ভাষ্য, একটি ইউনিয়ন পরিষদই গ্রামীণ জনগণের সবচেয়ে কাছের প্রশাসনিক কেন্দ্র। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদ, ভিজিডি-ভিজিএফসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সেবা নিতে প্রতিনিয়ত এখানে ভিড় জমে। কিন্তু পর্যাপ্ত জায়গা ও আধুনিক সুবিধার অভাবে এসব সেবা পেতে জনগণকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
তারা আরও জানান, ইউনিয়নের কেন্দ্রস্থল সুলতানপুর গ্রামে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও মানসম্মত ভবন নির্মাণ করা হলে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং জনগণের সেবা প্রাপ্তি সহজতর হবে। একই সঙ্গে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাও নিশ্চিত হবে।
এ বিষয়ে ১ নং কয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মোহাম্মদ আলী হোসেন বলেন, “নিজস্ব ভবন নির্মাণ এখন সময়ের অপরিহার্য দাবি। বিষয়টি আমি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনেছি। এলাকাবাসীর এই যৌক্তিক দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।”
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, একটি স্থায়ী ও আধুনিক ভবন নির্মিত হলে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং জনগণের প্রত্যাশিত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, টেকসই গ্রামীণ উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ইউনিয়ন পরিষদের অবকাঠামোগত উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে কয়া ইউনিয়ন পরিষদের জন্য একটি আধুনিক নিজস্ব ভবন নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
কয়া ইউনিয়নবাসীর প্রত্যাশা—প্রতিশ্রুতির গণ্ডি পেরিয়ে বাস্তবায়নের ছোঁয়ায় গড়ে উঠুক একটি আধুনিক প্রশাসনিক কেন্দ্র; যেখানে সেবা পাবে মানুষ, এগিয়ে যাবে একটি পুরো জনপদ।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |