কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম
কৃষিই বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি। সেই কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করে তুলতে মাঠপর্যায়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। তাঁদের পরামর্শ ও সহযোগিতায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার খলিশাকুন্ডি ব্লকে দুই বিঘা জমিতে লাউ চাষ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কৃষক মোহাম্মদ আহমদ আলী।
সবুজে ঘেরা মাঠজুড়ে সারি সারি লাউগাছ। মাচার নিচে ঝুলছে অসংখ্য তাজা ও আকর্ষণীয় লাউ। দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন প্রকৃতি নিজ হাতে এঁকেছে এক অপূর্ব কৃষিচিত্র। এই সফলতার পেছনে রয়েছে কৃষকের পরিশ্রম, ধৈর্য এবং কৃষি বিভাগের সার্বিক পরামর্শ।
খলিশাকুন্ডি ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ একরামুল হকের তত্ত্বাবধান ও কারিগরি নির্দেশনায় কৃষক আহমদ আলী আধুনিক পদ্ধতিতে লাউ চাষ শুরু করেন। শুরু থেকেই জমি প্রস্তুত, উন্নতমানের বীজ নির্বাচন, সুষম সার প্রয়োগ এবং রোগবালাই দমনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করায় ফলনও হয়েছে আশানুরূপ।
কৃষক আহমদ আলী জানান, “প্রথমে কিছুটা শঙ্কা থাকলেও কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে সাহস করে দুই বিঘা জমিতে লাউ চাষ করি। বর্তমানে ক্ষেত থেকে প্রতিদিন লাউ সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করছি। উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে ভালো লাভের আশা করছি।”
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ একরামুল হক বলেন, “কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ করতে আমরা নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে কাজ করছি। আহমদ আলীর এই সফলতা এলাকার অন্যান্য কৃষকদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।”
স্থানীয় কৃষকরাও আহমদ আলীর লাউ ক্ষেত পরিদর্শন করতে আসছেন এবং তাঁর সফলতার গল্প শুনে অনেকে একই ধরনের সবজি চাষে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। ফলে এলাকায় বাণিজ্যিক সবজি চাষের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কৃষি বিভাগের সঠিক দিকনির্দেশনা এবং কৃষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে দৌলতপুরের কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। আর সেই সম্ভাবনার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠেছেন খলিশাকুন্ডির সফল কৃষক মোহাম্মদ আহমদ আলী, যার দুই বিঘা জমির লাউ ক্ষেত আজ সাফল্যের সবুজ বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে পুরো এলাকাজুড়ে।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |