কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ৭ নম্বর হোগলবাড়ীয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আমজাদ হোসেনকে ঘিরে নির্বাচনী মাঠে জনসমর্থনের ইতিবাচক চিত্র ফুটে উঠছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে তাঁর গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভায় স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নির্বাচনী পরিবেশে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে আমজাদ হোসেন সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কৃষকদের সহায়তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করায় ভোটারদের একটি বড় অংশ তাঁর প্রতি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করছেন।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, আমজাদ হোসেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে নিজ অর্থায়নে ভূমি দান করে দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন। চেয়ারম্যান না হয়েও দীর্ঘদিন ধরে গরিব, অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। যে কোনো দুর্যোগ কিংবা ব্যক্তিগত সংকটে তিনি মানুষের পাশে উপস্থিত হন বলেও স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের দাবি, বিগত প্রায় ১৭ বছর তিনি রাজনৈতিক কারণে নানা ধরনের হয়রানি, নির্যাতন ও মামলার শিকার হয়েছেন এবং একাধিকবার কারাবরণও করেছেন। তাঁর সমর্থকদের মতে, এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দলীয় আদর্শ ও জনসেবার কার্যক্রম থেকে সরে যাননি।
এলাকার প্রবীণ ও সচেতন নাগরিকদের একাংশ জানান, আমজাদ হোসেন ব্যক্তিগত সম্পদের বড় অংশ ব্যয় করে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অবদান রেখেছেন। তাঁদের দাবি, তিনি নিজের প্রায় ২২ বিঘা জমি বিক্রি করে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেছেন। এছাড়াও ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদরাসা এবং স্থানীয় বাজারের উন্নয়ন ও নির্মাণে তাঁর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে বলে তাঁরা উল্লেখ করেন।
ভোটারদের অনেকেই বলেন, আমজাদ হোসেন ব্যক্তি স্বার্থের চেয়ে জনস্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দেন। দল-মত নির্বিশেষে তিনি সবার সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখেন এবং যে কোনো বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। তাঁদের প্রত্যাশা, একজন সৎ, যোগ্য, সাহসী ও জনবান্ধব প্রতিনিধি হিসেবে তিনি ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।
তবে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ভোটাররা। নির্বাচনের দিন জনগণের রায়ের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে হোগলবাড়ীয়া ইউনিয়নের আগামী দিনের নেতৃত্ব।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |