কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :
কুষ্টিয়া পৌরসভার একজন মাস্টার রোলভিত্তিক কর্মীকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, পৌরসভার সার্ভেয়ার শাখায় কর্মরত মাস্টার রোলের কর্মী মোহাম্মদ শিপন রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং এখনও বহাল রয়েছেন।
অভিযোগকারীদের দাবি, গত ৪ তারিখে কুষ্টিয়ায় সংঘটিত রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনায় আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মীর সঙ্গে তিনি সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। তাদের অভিযোগ, ওই সময় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় তিনি সহযোগীর ভূমিকা পালন করেন। যদিও এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের একাংশের আরও দাবি, মোহাম্মদ শিপন নিয়মিত সরকারি বা স্থায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারী নন; তিনি মাস্টার রোলভিত্তিক কর্মী হয়েও দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে চাকরিতে বহাল আছেন। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, পূর্ববর্তী সরকারের সময় যাদের প্রভাব ছিল, সেই ধারাবাহিকতারই প্রতিফলন এখনও পৌরসভার কিছু কর্মকাণ্ডে দেখা যাচ্ছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সাবেক প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি কুষ্টিয়া পৌরসভার সার্বিয়ার আব্দুল মান্নানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কিছু ব্যক্তি এখনও প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। এতে পৌরসভার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
তবে এ বিষয়ে পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কিংবা অভিযুক্ত মোহাম্মদ শিপনের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গত আগস্ট এর ৪ তারিখে লাঠি সোটা নিয়ে দলবল নিয়ে জামাত শিবির ও বিএনপি'র কর্মীদের উপরে আক্রমণ চালায় এর ভিডিও ফুটেজ এবং ছবি দুটাই ফেসবুক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল
এত বড় প্রমাণ থাকার সত্বেও আইনশৃঙ্খলার বাহিনী এবং পৌরসভার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগুলো এখন পর্যন্ত কেমন করে তাকে পৌরসভার কাজে কিভাবে নিয়োজিত থাকে
তাহলে কি ৪ তারিখে এবং ৫ তারিখের গণঅভ্যুত্থানও স্বৈরাচারের শাসন ব্যবস্থা থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করা এখন পর্যন্ত যাইনি।
শিপনদের মত আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতাকর্মী বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি দপ্তরে এখন পর্যন্ত প্রভাব বিস্তার করে যাচ্ছে এই বিষয়ে সাধারণ মানুষ ও জুলাই আন্দোলনকারী যোদ্ধারা তাহলে কি ব্যর্থ।
স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে আইন ও বিধি অনুযায়ী সকল অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |