কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম
শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখতে কুষ্টিয়া মহাশ্মশান মন্দিরসহ জেলার বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. তৌহিদ বিন-হাসান এবং পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম। এ সময় তাঁরা পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক পরিবেশ, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে তাঁদের সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক, শিক্ষা ও আইসিটি) উপসচিব মো. মিজানুর রহমানসহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে পূজামণ্ডপের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, ভক্ত-দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা এবং নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের পরিবেশের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। উৎসবকে কেন্দ্র করে যেন কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
শারদীয় দুর্গোৎসব হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবগুলোর একটি। দেবী দুর্গার আরাধনা, ঢাকের বাদ্য, পূজার অঞ্জলি আর ভক্তদের মিলনমেলায় এ উৎসব হয়ে ওঠে আনন্দ ও সৌহার্দ্যের অনন্য উপলক্ষ। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি এ উৎসব বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহাবস্থানের ঐতিহ্যকেও তুলে ধরে।
কুষ্টিয়ায় দুর্গোৎসবের আনন্দ নির্বিঘ্ন রাখতে প্রশাসনের এ সরেজমিন পরিদর্শন তাৎপর্যপূর্ণ। উৎসবের দিনগুলোতে পূজামণ্ডপে ভক্ত-দর্শনার্থীদের উপস্থিতি, মানুষের চলাচল এবং সার্বিক পরিবেশ বিবেচনায় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তবে উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু প্রশাসনের একক দায়িত্ব নয়; পূজা উদ্যাপন কমিটি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক ও সাধারণ মানুষের সচেতনতাও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পারস্পরিক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল আচরণের মধ্য দিয়েই উৎসবের আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।
ধর্ম যার যার, উৎসবের আনন্দ ও মানবিক বন্ধন সবার—এ চেতনায় কুষ্টিয়ায় শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপিত হোক, এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের। ধর্মীয় স্বাধীনতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখার মধ্য দিয়েই উৎসব হয়ে উঠুক সর্বজনীন আনন্দের প্রতীক।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |