| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

কুষ্টিয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক সংস্থার উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

রিপোর্টারের নামঃ MD MUNZURUL ISLAM
  • আপডেট টাইম : 08-11-2026 ইং
  • 281 বার পঠিত
কুষ্টিয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক সংস্থার উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন
ছবির ক্যাপশন: আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান স্মরণ


কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক সংস্থার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক সংস্থার সভাপতি, সাবেক বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার গ্রামসরকার প্রধান এবং জনতার পত্রিকার সম্পাদক শামসুল আলম স্বপন।

অনুষ্ঠানটি সার্বিকভাবে পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক সংস্থার সাধারণ সম্পাদক, লালন টিভি-২৪-এর চেয়ারম্যান এবং দৈনিক লালন বার্তার সম্পাদক মো. সেলিম উদ্দিন মাহমুদ। আলোচনায় অংশ নেন সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ শামীম রেজা, সদস্য আনোয়ার হোসেন, মিজানুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভাপতির বক্তব্যে শামসুল আলম স্বপন বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের অবদান, দেশপ্রেম ও সাহসিকতা জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন। একই সঙ্গে গণতন্ত্র, জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের চেতনা সমুন্নত রাখতে সাংবাদিক সমাজসহ সর্বস্তরের মানুষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড, ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ড এবং পরবর্তী রাজনৈতিক ও সামরিক ঘটনাপ্রবাহের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে ১৯৭৫ সালের ৩ থেকে ৭ নভেম্বরের ঘটনাবলির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটও উঠে আসে।

তিনি বলেন, তৎকালীন সেনাবাহিনীর উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সংঘটিত অভ্যুত্থানের পর সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি করা হয়। পরবর্তী সময়ে সেনাবাহিনীর সাধারণ সদস্যদের প্রতিরোধ এবং সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার মধ্য দিয়ে তিনি মুক্ত হন। ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।

আলোচনা সভায় বক্তারা ঐতিহাসিক এ দিনের তাৎপর্য, জাতীয় ঐক্য, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সাংবাদিক সমাজের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তাঁদের প্রয়াত পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার পরিচালনায় সাফল্য, তাঁর পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ এবং কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সার্বিক সাফল্য কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা হয়।

দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মো. মোশারফ হোসেন হুজুর।

স্মৃতিচারণ, আলোচনা ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরার পাশাপাশি উপস্থিত সাংবাদিক ও নেতৃবৃন্দের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ঐক্যের আবহ সৃষ্টি করে।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোর পথ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় অনুপম