কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসা-ই দারুল আশফাক, এতিমখানা ও লিল্লা বোর্ডিং প্রাঙ্গণে মসজিদের ছাদ ঢালাই সম্পন্ন হয়েছে। এ উপলক্ষে রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার লাহিনী দক্ষিণপাড়া (রেগুলেটর মোড়) এলাকায় আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার সভাপতি মো. আক্তার শেখ। তিনি বলেন, “এতিমখানা ও লীলা বোডিং এর মসজিদের ছাদ ঢালাই আজ সম্পূর্ণ হলো। পাশাপাশি আমরা এতিমখানার অবকাঠামো নির্মাণের জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।তিনি সমাজের ধর্মপ্রাণ ও বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আপনারা আপনাদের সাধ্যমতো এতিমখানার দিকে দৃষ্টি দিন এবং মানবতার হাত বাড়িয়ে দিন। সভায় বক্তারা সম্মিলিতভাবে মসজিদ ও এতিমখানার উন্নয়নকাজে একযোগে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। সভা শেষে এতিমখানার শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, মাদ্রাসাগুলো সমাজে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দরিদ্র ও এতিম শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা অব্যাহত রাখতে বিত্তবানদের আন্তরিক সহযোগিতা অপরিহার্য। তিনি আরও বলেন, “আসুন আমরা সবাই এগিয়ে আসি—আপনাদের সহানুভূতি ও উদার দান এই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে অমূল্য অবদান রাখবে। আলোচনা সভায় সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মানবিক মূল্যবোধ ও দান-সদকার গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, “জীবন দশায় দান-সদকা ও এতিমদের রক্ষা করতে পারলেই পরকালে শান্তির আশা করা সম্ভব। আল্লাহ তাআলাকে সন্তুষ্ট করতে হলে তাঁর দেওয়া নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে হবে এবং অসহায়দের পাশে দাঁড়াতে হবে। তিনি আরও বলেন, অসহায়- মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইসলামের অন্যতম শিক্ষা। তাই সমাজের ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকলে যদি এতিম ও অসহায় শিশুদের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়, তবে তাদের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব হবে। আলোচনা সভায় তিনি কুরআনের শিক্ষা উল্লেখ করে বলেন, “আল্লাহ তাআলা বলেন—অসহায়দের সাহায্য কর, তাতে আমি সাহায্য পাব। বস্ত্রহীনকে বস্ত্র দান করো, আমি বস্ত্র পাব। ক্ষুধার্তকে আহার দান করো, আমি আহার পাব। তিনি এ সময় আহ্বান জানান, মানবতার কল্যাণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ধনী-দরিদ্র ভেদাভেদ ভুলে মানুষের কল্যাণে কাজ করলেই প্রকৃত অর্থে সৃষ্টিকর্তাকে সন্তুষ্ট করা সম্ভব হবে।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |