কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ার থানাপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির কমিটির আয়োজনে রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হলো ডাঃ গৌরাঙ্গ প্রসাদ ধারা স্মৃতিপদক ও স্বর্গীয় গোপী কিষান আগরওয়ালা সারাওগী সম্মাননা স্মারক প্রদান-২০২৫।
থানাপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মো. আখতারুজ্জামান কাজল মাজমাদার, ভাইস চেয়ারম্যান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় বড় জামে মসজিদ, সভাপতি থানাপাড়া ঈদগাহ ও পরিচালক, দি কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, কুষ্টিয়া।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা স্বারক গ্রহণ করেন ঊষা রানী পাল এবং স্মৃতিপদক প্রদান করা হয় স্বর্গীয় অনিল চন্দ্র বিশ্বাসকে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—
ডাঃ দেবাশীষ পাল, অধ্যাপক ও সাবেক বিভাগীয় প্রধান, সার্জারী বিভাগ, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ।
ডাঃ রতন কুমার পাল, অর্থোপেডিক সার্জন, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ।
হ্যাপি সাহা, সহকারী পরিচালক, মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম, কুষ্টিয়া।
মোঃ মেজবাউর রহমান পিন্টু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জেলা ছাত্রদল ও সভাপতি কুষ্টিয়া জিমন্যাস্টিক ক্লাব।
ইয়াসিন আলি, সভাপতি জেলা পরিষদ সুপার শপিং মল ও বিশিষ্ট সমাজসেবক।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন শ্রী বিশ্বনাথ দাস, সভাপতি থানাপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির কমিটি। স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক সনজিব কুমার জোয়াদ্দার এবং আজীবন সদস্য শ্রী স্বপন কুমার সাহা (শংকর)। সঞ্চালনা করেন দীপঙ্কর দাস এবং সহ-সঞ্চালক ছিলেন কমিটির অর্থ সম্পাদক।
বক্তারা বলেন, ডাঃ গৌরাঙ্গ প্রসাদ ধারা ও গোপী কিষান আগরওয়ালা সারাওগী সমাজ উন্নয়ন, মানবসেবা ও শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁদের স্মৃতি ধরে রাখতে এ ধরনের আয়োজন সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজল মাজমাদার বলেন, “দুর্গাপূজা কেবল হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসব নয়, এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—এই চেতনা নিয়ে আমরা সবাই মিলে এগিয়ে যাব। কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যই হলো ভ্রাতৃত্ব, শান্তি ও সৌহার্দ্য।”
তিনি আরও বলেন, সরকারের পাশাপাশি সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে সম্প্রীতি রক্ষায় ভূমিকা রাখতে হবে। সহমর্মিতা ও শ্রদ্ধার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। শেষে প্রধান অতিথি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন ও ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। উপস্থিত ভক্তবৃন্দ কাজল মাজমাদারের আন্তরিকতা ও সম্প্রীতির বার্তায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |