কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় প্রশাসনিক ধারাবাহিকতায় পরিবর্তন এসেছে। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন শেষে বিদায় নিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম। তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ফারজানা আখতার। সরকারের মাঠ প্রশাসন পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে সোমবার (১ ডিসেম্বর ২০২৫) তারিখে দেশের ২৪৩ উপজেলায় নতুন ইউএনও নিয়োগ দেওয়া হয়। এর মধ্যে কুমারখালীতে ফারজানা আখতারের পদায়ন স্থানীয় প্রশাসনে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। এস এম মিকাইল ইসলাম দায়িত্বকালীন সময় কুমারখালীতে শিক্ষা, অবকাঠামো, প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা ও পরিবেশ সুরক্ষায় একাধিক উদ্যোগ নেন।অবৈধ বালু উত্তোলন প্রতিরোধ, জনস্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন, স্কুল-কলেজ পর্যবেক্ষণ ও জরিপ সংক্রান্ত মামলার সমাধানে তার ভূমিকা স্থানীয় জনগণের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে।স্থানীয়রা মনে করছেন, “প্রশাসনের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। নবাগত ইউএনও ফারজানা আখতার এর আগে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।কুমারখালীতে যোগদান করে তিনি আইনশৃঙ্খলা, উন্নয়ন পরিকল্পনা, শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাত, সামাজিক সুরক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে কাজ করবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়ন ও সুযোগ সৃষ্টিএছাড়া, সেবাপ্রদান ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনগণের সঙ্গে প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ জোরদারের দাবি রয়েছে।
বিদায়ী ইউএনওকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে রয়েছে আবেগ ও শ্রদ্ধাবোধ। তার সেবাধর্মী প্রশাসনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে—এমন আশা নিয়ে নতুন ইউএনওকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।সাংবাদিক মহলও জানিয়েছে, “কুমারখালীর উন্নয়নমূলক প্রক্রিয়ায় প্রশাসনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করা হবে। কুমারখালী উপজেলা প্রশাসনে এই দায়িত্ব হস্তান্তর নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। বিদায়ী ইউএনও এস এম মিকাইল ইসলামের জনমুখী উদ্যোগকে স্থানীয়রা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন।নতুন ইউএনও ফারজানা আখতারের নেতৃত্বে কুমারখালী আরও উন্নয়নমুখী, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন পাবে—এটাই এখন সবার প্রত্যাশা।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |