কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ার সুপরিচিত লেখক, দুঃসাহসিক সাংবাদিক ও সংস্কৃতিপ্রেমী ওয়াহেদুজ্জামান অর্কের জানাজা নামাজ শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার ১০ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় খাজানগর আদর্শ পাড়া ঈদগাহ ময়দানে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পার্শ্ববর্তী গোরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। দাফন শেষে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
ওয়াহেদুজ্জামান অর্কের মৃত্যুতে কুষ্টিয়ার সাংস্কৃতিক অঙ্গন, সাংবাদিক সমাজ এবং সাহিত্যপ্রেমীদের মাঝে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। জানাজায় শত শত মানুষ উপস্থিত হয়ে তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা ও সমবেদনা জানান। বিশেষ করে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ বটতলী ইউনিয়নের কয়েকজন নেতাকর্মীর উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য—আজব আলী গীতিকার, তোরাব আলী বেপারী, মো. টলেন মোল্লা, আলামিন, জুয়েল, মোরাদ আলী বেপারী, সাইফুল শেখসহ অনেকে অংশ নেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতির কুষ্টিয়া জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান।
সাংবাদিকতা, সাহিত্যচর্চা ও সামাজিক অঙ্গনে ওয়াহেদুজ্জামান অর্ক ছিলেন এক প্রভাবশালী ও প্রাণবন্ত নাম। বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ বটতলী ইউনিয়নের আঞ্চলিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে তিনি শ্রমজীবী মানুষের কথা তুলে ধরতেন। তাঁর সাহসী লেখনী, প্রতিবাদী মনোভাব এবং সহজ-সরল আচরণ তাঁকে সকলের প্রিয় করে তুলেছিল।
তাঁর এক ঘনিষ্ঠ সহকর্মী স্মৃতিচারণ করে বলেন, “রাস্তায় দেখা হলে তিনি আমাকে সবসময় স্নেহভরে ‘সাংবাদিক’ বলে ডাকতেন। আমি বলতাম—আমি তো সাংবাদিক না, সাংবাদিক তো আপনি। তখন তিনি হাসতেন।” তাঁর এই স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও প্রশ্রয় অনেকের হৃদয়ে স্থায়ী হয়ে আছে।
ওয়াহেদুজ্জামান অর্ক দৈনিক আলোরপথসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। তাঁর লেখায় উঠে এসেছে সমাজের সমস্যা, সংস্কৃতি, মানবিকতা ও ন্যায়ের বার্তা। তাঁর মৃত্যুতে কুষ্টিয়ার সাংবাদিক সমাজ এক সাহসী ও নির্ভীক সহযোদ্ধাকে হারাল।
দৈনিক আলোরপথ পত্রিকার পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়েছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি জানানো হয়েছে গভীর সমবেদনা।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |