কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:
দীর্ঘদিনের দখল, অব্যবস্থাপনা আর অবহেলার জটিল জালে আটকে থাকা প্রায় ১২ একর মূল্যবান সম্পত্তি—অবশেষে ফিরে পেতে চলেছে তার আপন পরিচয়। বাংলাদেশ রেলওয়ে-এর এই গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ উদ্ধারে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের দৃঢ় পদক্ষেপে জেগেছে নতুন আশার আলো।
নবাগত জেলা প্রশাসক মোঃ তৌহিদ বিন-হাসান-এর নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই অভিযানে ইতোমধ্যেই এসেছে দৃশ্যমান অগ্রগতি। দীর্ঘদিন ধরে নানা উপায়ে দখল হয়ে থাকা এই জমিগুলো একদিকে যেমন রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয়ের কারণ ছিল, তেমনি বাধাগ্রস্ত করছিল পরিকল্পিত নগর উন্নয়নের পথ।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, রেলওয়ের সম্পত্তি পুনরুদ্ধারে গঠন করা হয়েছে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে চলছে নিবিড় জরিপ, দখলদারদের শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম। পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করছেন জেলা প্রশাসক নিজেই।
প্রশাসনের এমন তৎপরতায় স্বস্তি ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাঁদের মতে, উদ্ধারকৃত জমিতে আধুনিক অবকাঠামো গড়ে উঠলে বদলে যেতে পারে পুরো এলাকার অর্থনৈতিক চিত্র। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির সম্ভাবনাও উজ্জ্বল হয়ে উঠছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, “রেলওয়ের সম্পত্তি উদ্ধারে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। কোনো ধরনের অবৈধ দখলদারিত্ব বরদাস্ত করা হবে না। দ্রুততম সময়ের মধ্যে জমি উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”
উল্লেখ্য, সারা দেশে রেলওয়ের অব্যবহৃত ও দখলকৃত জমি উদ্ধারে জোরালো কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় কুষ্টিয়ায় এই উদ্যোগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্লেষকদের মতে, এই অভিযান সফল হলে শুধু হারানো সম্পত্তি উদ্ধারই নয়, বরং সুশাসন, জবাবদিহিতা ও প্রশাসনিক দৃঢ়তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে—যা দেশের অন্যান্য জেলার জন্যও হয়ে উঠতে পারে অনুকরণীয় উদাহরণ।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |