| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

কুষ্টিয়া হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক

রিপোর্টারের নামঃ MD MUNZURUL ISLAM
  • আপডেট টাইম : 11-07-2026 ইং
  • 4554 বার পঠিত
কুষ্টিয়া হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক
ছবির ক্যাপশন: জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে বঞ্চিত করার অভিযোগ; তদন্ত ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :

কুষ্টিয়া হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানটিতে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা-সমালোচনা ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। জ্যেষ্ঠ শিক্ষক ও সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. মো. ওবায়দুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, জ্যেষ্ঠতা, অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতাকে উপেক্ষা করে তাঁকে বঞ্চিত করে অপেক্ষাকৃত জুনিয়র শিক্ষক ডা. আব্দুর রহিমকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ তথ্য গোপন করে একই ব্যক্তি দুইটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হওয়ার আগ পর্যন্ত। তিনি নিউ লাইফ অ্যান্ড কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেড এর কুষ্টিয়ার এমআর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই ব্যক্তি দুইটি প্রতিষ্ঠানে কিভাবে কাজ করেন এমন প্রশ্ন করেছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা? 

কলেজ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ডা. মো. আতিয়ার রহমান ২৯ অক্টোবর ২০২৫ সালে অবসরে গেলে প্রশাসনিক নেতৃত্বে নতুন দায়িত্ব অর্পণের বিষয়টি সামনে আসে। এ সময় জ্যেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে ডা. মো. ওবায়দুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হওয়ার প্রত্যাশা করেছিলেন। তবে পরবর্তীতে অন্য একজন জুনিয়র শিক্ষক ডা. আব্দুর রহিমকে ওই দায়িত্ব দেওয়ায় নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

অভিযোগকারী ও কলেজ-সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের দাবি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং প্রচলিত আইন ও বিধিমালার যথাযথ অনুসরণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তাঁদের ভাষ্য, নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন বা বিতর্ক সৃষ্টি হলে তা শুধু শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষই বাড়ায় না, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম ও ভাবমূর্তির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে কলেজের পরিচালনা পর্ষদ (ম্যানেজিং কমিটি) গঠন নিয়েও একাধিক প্রশ্ন উত্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, পরিচালনা পর্ষদ গঠনের বিষয়ে কোনো জাতীয় বা স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি। অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য শিক্ষার্থী বা তাঁদের অভিভাবকদের যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক  চিকিৎসা শিক্ষা আইন, ২০২৩-এর  ৮(১)  সি ধারা মোতাবেক পরিচালনা পর্ষদের শিক্ষক ও অভিভাবক  প্রতিনিধি সদস্য নির্বাচনের জন্য ১ ও ২ জুলাই ২০২৬ মনোনয়নপত্র বিক্রির সময় নির্ধারণ করা হলেও, অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিগত ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত দুইজন প্রতিনিধির কাছেই মাত্র দুইটি ফর্ম বিক্রি করেছেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। এই দুইজন অভিভাবক প্রতিনিধির মধ্যে একজন হলেন কুষ্টিয়া হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান। অপর আরেকজন বর্তমান অধ্যক্ষের খুব কাছের লোক। এই দুইজন ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তির নিকট কোন ফর্ম বিক্রি করা হয়নি। কলেজে ৭ শতাধিক শিক্ষার্থী থাকা সত্ত্বেও অধিকাংশ অভিভাবককে নির্বাচন সম্পর্কে অবহিত করা হয়নি বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।

অভিযোগকারীসহ সংশ্লিষ্টরা বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোর পথ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় অনুপম