| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ

রিপোর্টারের নামঃ MD MUNZURUL ISLAM
  • আপডেট টাইম : 01-10-2026 ইং
  • 257 বার পঠিত
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ
ছবির ক্যাপশন: কৃষক কার্ডে মিলবে দ্রুত কৃষিসেবা

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম

কৃষকের পরিচয়, প্রাপ্যতা ও প্রয়োজন—তিনটি বিষয়কে এক সুতোয় গেঁথে সরকারি কৃষিসেবা আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও লক্ষ্যভিত্তিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ হিসেবে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে শুরু হয়েছে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির বাস্তবায়ন। কার্ডের মাধ্যমে কৃষি উপকরণ, ভর্তুকি ও প্রণোদনা, সেচ সুবিধা, কৃষিঋণ, কৃষিযন্ত্র, প্রশিক্ষণ ও বীমাসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দৌলতপুর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ-২০২৬’ অনুষ্ঠান। এতে কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদ বিন-হাসান এবং পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে দৌলতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেহানা পারভীন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিন্দ্য গুহসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও কৃষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

‘কৃষক কার্ড থাকলে সেবা পাবেন সাথে সাথে’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে চালু হওয়া কর্মসূচির মূল লক্ষ্য কৃষকের দোরগোড়ায় সরকারি কৃষিসেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও কার্যকর করা। কৃষক কার্ডকে কৃষকের একটি সমন্বিত ডিজিটাল পরিচয় হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, কৃষিযন্ত্র এবং কৃষি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আবহাওয়া ও বাজারসংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর পাইলট পর্যায়ে ১ লাখ ৪৭ হাজার কৃষককে কৃষি উপকরণ কেনার জন্য ২ হাজার ৫০০ টাকা করে প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে চলতি বছর ৪৩ লাখ কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকের প্রকৃত পরিচয় ও প্রাপ্যতা নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হলে সরকারি সহায়তা সরাসরি প্রকৃত উপকারভোগীর কাছে পৌঁছানো সহজ হবে। এতে ভর্তুকি ও প্রণোদনা বিতরণে স্বচ্ছতা বাড়ার পাশাপাশি সরকারি সেবা পেতে কৃষকের সময়, খরচ ও হয়রানি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পর্যায়ক্রমে দেশের সব কৃষক-কৃষাণীকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে ফসল উৎপাদনের পাশাপাশি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের বিভিন্ন সেবাকেও একই ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

দৌলতপুরের কৃষকদের প্রত্যাশা, মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনের সময়ে যদি কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সরকারি সহায়তা দ্রুত ও নির্বিঘ্নে পাওয়া যায়, তাহলে এটি শুধু একটি পরিচয়পত্র হয়ে থাকবে না। বরং কৃষক ও সরকারের মধ্যে কৃষিসেবা পৌঁছে দেওয়ার একটি কার্যকর সেতুবন্ধন হিসেবে গড়ে উঠবে—যার সুফল সরাসরি পৌঁছাবে কৃষকের মাঠে, ফসলে ও জীবিকায়।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোর পথ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় অনুপম