| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)’র উদ্যোগে সীমান্তে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, তেতুলবাড়ী ও রংমহলে প্রাণবন্ত দুই মতবিনিময় সভা

রিপোর্টারের নামঃ MD MUNZURUL ISLAM
  • আপডেট টাইম : 03-12-2025 ইং
  • 60837 বার পঠিত
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)’র উদ্যোগে সীমান্তে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, তেতুলবাড়ী ও রংমহলে প্রাণবন্ত দুই মতবিনিময় সভা
ছবির ক্যাপশন: কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)’র উদ্যোগে সীমান্তে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, তেতুলবাড়ী ও রংমহলে প্রাণবন্ত দুই মতবিনিময় সভা

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম

সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও স্থানীয় জনগণকে সচেতন করতে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) দুটি গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে। বুধবার ( ৩ ডিসেম্বর ) তেতুলবাড়ী ও রংমহল সীমান্ত এলাকায় অনুষ্ঠিত সভাগুলোতে অংশগ্রহণ ছিল বিস্ময়কর, আর পরিবেশ ছিল উৎসবমুখর।

বিকেল ৩টা থেকে ৩টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত তেতুলবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এবং বিকেল ৪টা থেকে ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত রংমহল বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার খাসমহল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সভাগুলো অনুষ্ঠিত হয়। দুইটি সভাতেই অংশগ্রহণ করেন এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ প্রায় ৪৫০–৪৬০ জন স্থানীয় মানুষ, যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিজিবির এ উদ্যোগকে সমর্থন জানান।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)’র অধিনায়ক লে. কর্নেল রাশেদ কামাল রনি, এসইউপি, পিএসসি, জি। তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, ভারতে বর্তমানে চলমান SIR (Special Intensive Revision) কার্যক্রমের কারণে সীমান্ত দিয়ে পুশ-ইনের সম্ভাবনা রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সীমান্তে সক্রিয় নজরদারি এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ এখন সময়ের দাবি।

সীমান্ত সুরক্ষায় আনসার–ভিডিপি ও স্থানীয় জনগণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সীমান্তের আইন মেনে চলা এবং যেকোন সন্দেহজনক কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বিজিবিকে জানানো প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব।

তিনি অবৈধ অনুপ্রবেশ, মানব পাচার, মাদক, অস্ত্র ও গরু চোরাচালানকে দেশের নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য ভয়াবহ হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে এসব অপরাধ প্রতিরোধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অধিনায়ক স্থানীয়দের প্রতি কিছু নির্দেশনা প্রদান করেন শূন্য লাইন অতিক্রম না করা। সন্ধ্যার পর সীমান্ত এলাকায় অবস্থান এড়িয়ে চলা। পাচারকারীদের সামাজিকভাবে প্রতিহত করা। মাদক বর্জনের সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা। সীমান্ত দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সতর্ক থাকা।গবাদিপশু শূন্য লাইনে না নেওয়া ও ভারতীয় জমি লিজ না করা। অকারণে সীমান্ত এলাকায় উপস্থিত না হওয়া।

স্থানীয় জনগণ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া সীমান্ত নিরাপত্তা সম্ভব নয়। ভবিষ্যতেও বিজিবি জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা বিজিবির এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে পুশ-ইন ও সীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় বিজিবির সঙ্গে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা শুধু রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব নয়, এটি স্থানীয় মানুষের অস্তিত্ব ও নিরাপত্তার প্রশ্ন।

অবশেষে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর পক্ষ থেকে সকলের সহযোগিতা কামনা করে সভার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের এমন ইতিবাচক অংশগ্রহণ সীমান্ত নিরাপত্তায় নতুন আস্থা ও সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।



ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোর পথ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় অনুপম