| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে কাজিপুর সীমান্ত এলাকায় সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা

রিপোর্টারের নামঃ MD MUNZURUL ISLAM
  • আপডেট টাইম : 04-12-2025 ইং
  • 104275 বার পঠিত
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে কাজিপুর সীমান্ত এলাকায় সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা
ছবির ক্যাপশন: কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে কাজিপুর সীমান্ত এলাকায় সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম

সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) কর্তৃক মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজিপুর বিওপি সংলগ্ন এলাকায় জনসচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা ২৫ মিনিট থেকে ৫টা পর্যন্ত কাচারীপাড়া ফুটবল মাঠে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া সেক্টর সদর দপ্তরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন, পিবিজিএম, বিজিওএম, পিএসসি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল রাশেদ কামাল রনি, এসইউপি, পিএসসি, জি এবং ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার ও সহকারী পরিচালক মো. জাকিরুল ইসলাম।

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক জনসাধারণের অংশগ্রহণে সভাস্থল উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

সভায় প্রধান অতিথি কর্নেল মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন বলেন, বর্তমানে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে এসআইআর (Special Intensive Revision) কার্যক্রম চলমান থাকায় সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ কর্তৃক ‘পুশ-ইন’-এর সম্ভাবনা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আনসার-ভিডিপি ও স্থানীয় জনগণকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি সীমান্তের যে কোনো সন্দেহজনক তৎপরতা দ্রুত বিজিবিকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, “পুশ-ইন মোকাবেলায় জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্ত এলাকায় তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে অপরাধ দমনে তা বড় ভূমিকা রাখবে।”

সীমান্ত আইন মেনে চলার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, “মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও চোরাচালান শুধু সামাজিক অবক্ষয় নয়, জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও গুরুতর হুমকি।”

স্থানীয় জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি সীমান্তে শূন্যরেখা অতিক্রম না করা, গবাদিপশু না চরানো, ভারতের ভেতরে ঘাস কাটতে না যাওয়া, অবৈধ চাষাবাদ না করা এবং মাদক ও চোরাকারবারীদের সামাজিকভাবে প্রতিরোধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

অতিথিরা বলেন, সীমান্ত এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিজিবি ও জনগণের পারস্পরিক সমন্বয় প্রয়োজন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিজিবির এই উদ্যোগকে স্থানীয়রা স্বাগত জানিয়ে সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোর পথ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় অনুপম