কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার জিকে প্রকল্পের ক্যানেলের দুই পাড় যেন এখন নির্বাক সাক্ষী—প্রশাসনের চোখের সামনে নির্বিচারে বনজ সম্পদ লুটের। দিনে দুপুরে ক্যানেলের দুই পাশে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিভুক্ত শত শত গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে এলাকার একশ্রেণীর প্রভাবশালী নেতাকর্মী ও পাতি নেতা হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিরা। অথচ দেখার কেউ নেই, বাধা দেওয়ারও যেন কেউ নেই।
স্থানীয়রা জানান, জিকে প্রকল্পের ক্যানেলের গাছগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সরকারের নির্ধারিত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর। একদিকে বন বিভাগের তদারকি, অন্যদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রশাসনিক কাঠামো—সবকিছু থাকার পরও কীভাবে দিনের আলোয় প্রকাশ্যে গাছ কাটা হচ্ছে, তা নিয়ে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
তাদের ভাষায়, “এটি শুধু বনজ সম্পদ ধ্বংস নয়, এটি সরকারের রক্ষিত আমানতের সঙ্গে সরাসরি খেয়ানত।” গাছ কেটে নেওয়ার দৃশ্য প্রতিদিনই দেখা যাচ্ছে, কিন্তু কোথাও নেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি কিংবা দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ।
সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদকর্মীরা সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পান—ক্যানেলের দুই পাশে সারি সারি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। কোথাও শুধু গুঁড়ি পড়ে আছে, কোথাও আবার কাটা গাছ ট্রলি ও ভ্যানযোগে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কিন্তু এই অনিয়ম রোধে কোনো কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়েনি।
এলাকাবাসীরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে অতি অচিরেই জিকে প্রকল্পের ক্যানেলের দুই পাশের সবুজ বেষ্টনী সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এতে একদিকে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হবে, অন্যদিকে ক্যানেল রক্ষা বাঁধও পড়বে হুমকির মুখে।
এলাকাবাসী ও সচেতন মহল দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা—সবুজ বাঁচাতে এবার অন্তত নীরবতা ভাঙবে প্রশাসন।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |