কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের কেষ্টপুর গ্রামে অবস্থিত সেচ ক্যানেলটি এখন এলাকাবাসীর জন্য আশীর্বাদ নয়, বরং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক সময় এই ক্যানেলকে ঘিরেই কৃষিজীবী মানুষের স্বপ্ন বুনে উঠেছিল। কিন্তু অব্যবস্থাপনা, সংস্কারের অভাব আর দায়িত্বশীলদের উদাসীনতায় ক্যানেলটি আজ বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ক্যানেলের অধিকাংশ অংশ মাটি ও আবর্জনায় ভরাট হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা, আবার কোথাও পানি একেবারেই পৌঁছায় না জমিতে। বর্ষা মৌসুমে ক্যানেলের উপচে পড়া পানি আশপাশের বাড়িঘর ও ফসলি জমিতে ঢুকে পড়ে, আর শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাবে চাষাবাদে নেমে আসে স্থবিরতা।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, এই ক্যানেল সচল থাকলে ধান, পাট ও সবজি চাষে তারা স্বাবলম্বী হতে পারতেন। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে কোনো খনন বা সংস্কার কাজ না হওয়ায় তাদের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে বিকল্প পেশার দিকে ঝুঁকছেন। এতে করে গ্রামীণ অর্থনীতিতেও পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারবার আবেদন জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। ক্যানেল দখল, পাড় ভাঙন ও অপরিকল্পিত মাটি ফেলার কারণে সমস্যা আরও প্রকট হয়েছে। দ্রুত সংস্কার ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেবে। ক্যানেলটি খনন, দখলমুক্তকরণ এবং আধুনিক সেচব্যবস্থার আওতায় আনা হলে কেষ্টপুর গ্রামের কৃষি ও জনজীবনে আবার ফিরবে স্বস্তি ও সম্ভাবনার আলো। উন্নয়নের কথা শুধু প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই অবহেলিত ক্যানেলকে নতুন প্রাণ দেওয়ার দাবি এখন সময়ের।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |