| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

দৌলতপুরে পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিয়ে ও নির্যাতনের অভিযোগ

রিপোর্টারের নামঃ MD MUNZURUL ISLAM
  • আপডেট টাইম : 21-06-2026 ইং
  • 13645 বার পঠিত
দৌলতপুরে পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিয়ে ও নির্যাতনের অভিযোগ
ছবির ক্যাপশন: দুই সন্তানকে নিয়ে ন্যায়বিচারের আশায় আদালতের দ্বারস্থ স্ত্রী

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রথম স্ত্রীকে নির্যাতন, যৌতুক দাবি এবং প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ ১২ বছরের দাম্পত্য জীবনে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার দাবি করে অবশেষে দুই সন্তানকে নিয়ে ন্যায়বিচারের আশায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ভুক্তভোগী নারী।

ভুক্তভোগী মোছা. রানি আক্তার (৩০) উপজেলার রিফায়েতপুর ইউনিয়নের দহখোলা নারানপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জানান, ২০১৪ সালে পুলিশ কর্মকর্তা এসআই সাইদুর রহমানের সঙ্গে তার বিবাহ হয়। তাদের সংসারে ১১ ও ৬ বছর বয়সী দুই সন্তান রয়েছে।

রানি আক্তারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন সময়ে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো। পাশাপাশি যৌতুকের দাবিতে তার বাবার কাছ থেকে ধাপে ধাপে প্রায় ৩০ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। বিভিন্ন অজুহাতে তাকে স্বামীর সংসারে না রেখে বাবার বাড়িতে অবস্থান করতে বাধ্য করা হতো বলেও অভিযোগ তার।

তার দাবি, সম্প্রতি তার অনুমতি ছাড়াই এসআই সাইদুর রহমান দ্বিতীয় বিয়ে করেন। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। তবে কাঙ্ক্ষিত প্রতিকার না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত আদালতের শরণাপন্ন হন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা এসআই সাইদুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। ভুক্তভোগী পক্ষের দাবি, তিনি প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে অভিযোগের অন্যান্য বিষয়ে তার বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন সদস্যের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। তাদের মতে, একজন আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যদি এমন অভিযোগ ওঠে, তবে বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি।

ভুক্তভোগী রানি আক্তার বলেন, "আমি দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হয়েছি। এখন আমার দুই সন্তানকে নিয়ে অসহায় জীবন কাটছে। আমি শুধু আইনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার চাই।"

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগগুলো ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আদালতের রায় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতেই বিষয়টির চূড়ান্ত আইনগত অবস্থান নির্ধারিত হবে।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোর পথ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় অনুপম