চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বন্যাকবলিত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করা এবং ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে গতি আনতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, সেনাবাহিনী স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, কোস্ট গার্ড এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে দুর্গত এলাকায় উদ্ধার ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকি এবং দুর্গম অঞ্চলে আটকে পড়া মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সেনাসদস্যরা কাজ করছেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় এক হাজারের বেশি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। সেখানে নিরাপদ আশ্রয়, বিশুদ্ধ খাবার পানি, স্বাস্থ্যসেবা, স্যানিটেশন, শিশুখাদ্য এবং নিয়মিত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ জেলার জন্য নগদ অর্থ ও বিপুল পরিমাণ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালীসহ বিভিন্ন উপজেলায় বন্যার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় বহু মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। কোথাও কোথাও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে এবং নৌকাই হয়ে উঠেছে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গত মানুষকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছে দিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে বন্যার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কমাতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |