কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানা বার্ষিক পরিদর্শন করেছেন জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, পিপিএম (বার)। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টায় তিনি কুমারখালী থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় থানার সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনার পাশাপাশি দায়িত্বশীলতা, পেশাদারিত্ব, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে জনসেবায় আরও আন্তরিক হওয়ার জন্য পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
পরিদর্শনের শুরুতে পুলিশ সুপারকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) প্রণব কুমার সরকার এবং কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ। পরে পুলিশ সুপার সালামি গ্রহণ ও সালামি প্যারেড পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি থানার গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্রারপত্র পর্যালোচনা, কর্মকর্তা ও ফোর্সের দৈনন্দিন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, মালখানা ও হাজতখানা পরিদর্শন এবং সরকারি অস্ত্রাগার সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। একই সঙ্গে থানার প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
এ সময় কুমারখালী থানার আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিশেষ কল্যাণ সভায় অংশ নেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন। সভায় তিনি থানায় কর্মরত কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। দায়িত্ব পালনে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ এবং জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
কল্যাণ সভায় পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যা ও মতামত মনোযোগ দিয়ে শোনেন পুলিশ সুপার। এসব সমস্যা বিধি অনুযায়ী সমাধানের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, পুলিশের পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। পারস্পরিক সহযোগিতা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধের মধ্য দিয়ে একটি দক্ষ ও মানবিক পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) শিকদার মো. হাসান ইমাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) ফয়সাল মাহমুদ, জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ, ডিআইও-১, ডিএসবি কুষ্টিয়াসহ কুমারখালী থানায় কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্য।
পুলিশ সুপারের এই বার্ষিক পরিদর্শনকে ঘিরে কুমারখালী থানার কর্মকর্তা ও ফোর্স সদস্যদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্য দেখা যায়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের নিয়মিত পরিদর্শন ও দিকনির্দেশনা পুলিশের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি থানার সার্বিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |