কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ার রিফাইতপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও জনসম্পৃক্ত ব্যক্তি মো. জাহাঙ্গীর আলম। সৎ, যোগ্য, ন্যায়নিষ্ঠ ও জনবান্ধব নেতৃত্বের মাধ্যমে ইউনিয়নবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ এবং একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকেই রিফাইতপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলমকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম, কৃষক, শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ এবং এলাকার সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা তাঁকে নির্বাচনী মাঠে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
জাহাঙ্গীর আলমের প্রত্যাশা—রিফাইতপুর ইউনিয়নকে কেবল একটি প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জনগণের অধিকার, উন্নয়ন ও সেবার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। তাঁর পরিকল্পনায় রয়েছে ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়ন, কৃষি ও কৃষকের স্বার্থ রক্ষা, যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
তিনি মনে করেন, ইউনিয়ন পরিষদের নেতৃত্বে জনগণের অংশগ্রহণ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা গেলে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন আরও কার্যকর হবে। তাই নির্বাচিত হলে দল-মত, শ্রেণি-পেশার ঊর্ধ্বে উঠে সব মানুষের জন্য সমান সুযোগ ও নাগরিকসেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “রিফাইতপুর ইউনিয়নের মানুষ পরিবর্তন চায়। আমি বিশ্বাস করি, সততা, ন্যায়নীতি ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করলে একটি ইউনিয়নকে অনেক দূর এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। আমি চেয়ারম্যান হতে চাই ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের সেবা করার সুযোগ হিসেবে।”
স্থানীয়দের ভাষ্য, নির্বাচনে প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার পাশাপাশি সততা, যোগ্যতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও মানুষের পাশে থাকার মানসিকতাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সেই জায়গা থেকে জাহাঙ্গীর আলমের প্রার্থিতা ঘোষণাকে তাঁরা সম্ভাব্য নির্বাচনী সমীকরণে একটি তাৎপর্যপূর্ণ সংযোজন হিসেবে দেখছেন।
তবে শেষ পর্যন্ত রিফাইতপুর ইউনিয়নের নেতৃত্ব কার হাতে যাবে, তা নির্ধারণ করবে ভোটারদের রায়। আর সেই রায়ের অপেক্ষায় এখন থেকেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও হিসাব-নিকাশ। পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে জাহাঙ্গীর আলমের মাঠে নামা সেই সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে—সেটিই এখন দেখার বিষয়।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |