কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম
কেউ দেখেন উন্নয়নের স্বপ্ন, কেউ দেখেন মানুষের মুখে হাসি। আর সেই স্বপ্ন ও প্রত্যাশাকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চলমান চেয়ারম্যান মো. সোহেল রানা পবন এগিয়ে চলেছেন জনসেবার পথে। দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে ইউনিয়নের নাগরিক সেবা আরও জনবান্ধব ও কার্যকর করার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
বাহাদুরপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা জনবসতি—সবখানেই মানুষের নানা প্রত্যাশা। রাস্তা-ঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন চেয়ারম্যান সোহেল রানা পবন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করছেন তিনি। মানুষের সমস্যার কথা শুনে তা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া এবং অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টি তাঁর কর্মকাণ্ডে গুরুত্ব পেয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার ভাষ্য, জনপ্রতিনিধির পরিচয় শুধু তাঁর পদ-পদবিতে নয়; মানুষের প্রয়োজনে তিনি কতটা কাছে থাকেন, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেই বিবেচনায় সোহেল রানা পবনকে তাঁরা একজন সক্রিয় ও জনসম্পৃক্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান।
চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। নাগরিকদের প্রত্যাশা—ইউনিয়নের উন্নয়ন পরিকল্পনায় সাধারণ মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে সেবা কার্যক্রম আরও সহজ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করা হবে।
চেয়ারম্যান মো. সোহেল রানা পবন বলেন, “জনগণের ভোট ও ভালোবাসায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের কাছে আমার দায়বদ্ধতা সবচেয়ে বেশি। বাহাদুরপুর ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের ন্যায্য অধিকার ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করাই আমার প্রধান লক্ষ্য।”
তিনি বলেন, “একটি ইউনিয়নের উন্নয়ন কোনো একক ব্যক্তির পক্ষে সম্ভব নয়। জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন এবং সর্বস্তরের জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাহাদুরপুর ইউনিয়নকে আরও আধুনিক ও সমৃদ্ধ জনপদে পরিণত করা সম্ভব।”
রাজনীতির মাঠে নানা প্রতিকূলতা থাকলেও মানুষের আস্থা অর্জনকেই নিজের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন সোহেল রানা পবন। তাঁর প্রত্যাশা, দল-মত ও শ্রেণি-পেশার ঊর্ধ্বে উঠে বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় অংশ নেবেন।
বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মানুষের প্রত্যাশাও কম নয়। তাঁদের চাওয়া—প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি দৃশ্যমান উন্নয়ন, সেবার ধারাবাহিকতা, জবাবদিহিতা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ আরও জোরদার হোক। সেই প্রত্যাশা পূরণে চেয়ারম্যান সোহেল রানা পবন আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবেন—এমনটাই আশা তাঁদের।
জনপ্রতিনিধিত্বের মূল শক্তি যে মানুষের আস্থা, সেই আস্থাকে পুঁজি করে বাহাদুরপুর ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনকল্যাণের পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সোহেল রানা পবন। এখন সময়ই বলে দেবে, তাঁর এই প্রত্যয় কতটা বাস্তব উন্নয়ন ও জনসেবায় রূপ নেয়।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |