কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন মো. এনামুল মালিথা। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নেতৃত্ব, নাগরিক সেবা ও এলাকার উন্নয়নকে ঘিরে নির্বাচনী ভাবনায় তাঁর সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়ে আগ্রহ তৈরি হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
গ্রামীণ জনপদের উন্নয়ন কেবল রাস্তাঘাট নির্মাণ কিংবা অবকাঠামো সংস্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার, নাগরিক সুবিধা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক সম্প্রীতির প্রশ্ন। ফলে কয়া ইউনিয়নের আগামী দিনের নেতৃত্ব নির্বাচনে এসব বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে কাছের স্তর ইউনিয়ন পরিষদ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নসহ নানা নাগরিক সেবায় এ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা রয়েছে। একজন চেয়ারম্যানের দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি ইউনিয়নবাসীর দৈনন্দিন জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলে।
এ বাস্তবতায় সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. এনামুল মালিথাকে ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে—তিনি এলাকার মানুষের প্রত্যাশা কতটা ধারণ করতে পারবেন, উন্নয়ন পরিকল্পনায় সাধারণ মানুষের মতামতকে কীভাবে গুরুত্ব দেবেন এবং ইউনিয়ন পরিষদের সেবাকে কতটা সহজ ও জনবান্ধব করে তুলতে পারবেন।
তবে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সম্ভাব্য প্রার্থীর পরিচিতি কিংবা রাজনৈতিক অবস্থানের পাশাপাশি তাঁর বাস্তব কর্মপরিকল্পনা, অতীতের সামাজিক কর্মকাণ্ড, জনসম্পৃক্ততা ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ। ভোটারদের কাছে এসব প্রশ্নের সুস্পষ্ট উত্তরই একজন প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারে।
কয়া ইউনিয়নের মানুষ আগামী দিনে এমন নেতৃত্ব প্রত্যাশা করেন, যেখানে উন্নয়নের সুফল পৌঁছাবে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছেও, নাগরিক সেবা হবে সহজলভ্য এবং ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালিত হবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ভিত্তিতে।
মো. এনামুল মালিথার সম্ভাব্য প্রার্থিতা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী অঙ্গনে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে তাঁর অবস্থান, কর্মপরিকল্পনা, জনসম্পৃক্ততা এবং ভোটারদের আস্থার ওপর। নির্বাচনের মাঠে সেই আস্থাই হতে পারে তাঁর সামনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |