| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

প্রতিবন্ধী স্কুলের অনুমোদনের নামে কোটি কোটি টাকা লোপাট

রিপোর্টারের নামঃ MD MUNZURUL ISLAM
  • আপডেট টাইম : 01-09-2025 ইং
  • 196282 বার পঠিত
প্রতিবন্ধী স্কুলের অনুমোদনের নামে কোটি কোটি টাকা লোপাট
ছবির ক্যাপশন: প্রতিবন্ধী স্কুলের অনুমোদনের নামে কোটি কোটি টাকা লোপাট

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম

বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি এবং রান ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির মহাসচিব গাউসুল আযম শিমুর বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী স্কুল অনুমোদনের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভুয়া প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি ও তার সহযোগীরা বেকার যুবক-যুবতী, শিক্ষক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ আদায় করেছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। জানা গেছে, গাউসুল আযম শিমু ২০১৫ সালে জয়েন্ট স্টক কোম্পানি থেকে "রান ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি" নামক একটি এনজিও রেজিস্ট্রেশন নেন। পরে তিনি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা ২০০৯-এর অপব্যাখ্যা করে দাবি করতে থাকেন যে, প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠার অনুমোদন একমাত্র তাদের সংগঠন পেয়েছে। এই ফাঁদে ফেলে সারা দেশে প্রায় দুই শতাধিক স্কুল থেকে তিনি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। অনুমোদনের নামে প্রতিটি স্কুল থেকে ২০-৩০ লাখ টাকা আদায় করা হয় বলে জানা গেছে। প্রতারক চক্রের কৌশল ছিল ধাপে ধাপে টাকা আদায় করা। পাঠদান অনুমতির নামে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা, রেজিস্ট্রেশনের নামে ১-২ লাখ টাকা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিঠি দেখানোর নামে ৩ লাখ টাকা, স্কুল পরিদর্শন রিপোর্ট তৈরির নামে আরও ৩ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। অথচ এসব অনুমোদন ছিল সম্পূর্ণ ভুয়া এবং রান ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির নিজস্ব প্যাডে জারি করা কাগজপত্র ছাড়া কিছুই নয়।ভুক্তভোগীরা জানান, সরকার ২০১৯ সালে বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা জারি করে দেয় যে, একটি নিবন্ধিত এনজিও কেবল একটি স্কুল করতে পারবে। কিন্তু শিমু চক্র কৌশলে দুই শতাধিক স্কুল প্রতিষ্ঠার নামে টাকা লুট করেছে। বর্তমানে আবারও নতুন করে তিনি স্বীকৃতি ও এমপিও ভুক্তির প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা সংগ্রহ শুরু করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হাজী আমজাদ হোসেন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা মো. রেজাউল করিম জানান, “আমার প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি, স্বীকৃতি ও এমপিও ভুক্ত করার কথা বলে সর্বমোট সাত লাখ টাকা নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে দুই লাখ পঁচাশি হাজার টাকা পরিবহন সংস্থার মাধ্যমে এবং বাকি টাকা নগদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আজও কোনো স্বীকৃতি পাইনি। তিনি আরও বলেন, “আমি বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যেনো তারা গাউসুল আযম শিমুকে মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগ থেকে অব্যাহতি দেন। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাই, তাকে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনা হোক। দেশের বিভিন্ন জেলার অসংখ্য উদ্যোক্তা সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসতে চলেছেন। ভুক্তভোগীদের দাবি—এই প্রতারক চক্রকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে প্রতিবন্ধী স্কুলগুলিকে রক্ষা করা হোক।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোর পথ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় অনুপম