| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

কুষ্টিয়ার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ

রিপোর্টারের নামঃ MD MUNZURUL ISLAM
  • আপডেট টাইম : 21-09-2025 ইং
  • 171177 বার পঠিত
কুষ্টিয়ার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ
ছবির ক্যাপশন: কুষ্টিয়ার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মোঃ মুনজুরুল ইসলাম

কুষ্টিয়ার স্বনামধন্য দুটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়—কুষ্টিয়া জিলা স্কুল ও কুষ্টিয়া সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে নবম ও দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি দিন দিন কমে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই এ প্রবণতা শিক্ষাপ্রেমী মানুষদের মাঝে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ে শ্রেণি পাঠ যথাযথ মানসম্পন্ন নয়। এজন্য তারা মনে করছেন, অযথা সময় নষ্ট না করে কোচিং সেন্টারে গিয়ে পড়াশোনা করাই বেশি লাভজনক। অথচ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হলেও শিক্ষার্থীরা তাদের পাঠদানে সন্তুষ্ট নয়। অপরদিকে, প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই পরিচালিত কোচিং সেন্টারগুলো শিক্ষার্থীদের কাছে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল এই প্রবণতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া কেবল ভালো ফলাফল অর্জনের সুযোগই নয়; শিক্ষার্থীদের নৈতিক, সামাজিক ও আদর্শিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্যও বিদ্যালয়ের পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অভিভাবক ও শিক্ষক উভয়ের উদাসীনতায় শিক্ষার্থীদের স্কুলে উপস্থিতির হার কমছে, যা শিক্ষাব্যবস্থার জন্য বড় হুমকি। শিক্ষাবিদদের অভিমত, বিদ্যালয়কে আকর্ষণীয় করতে হলে শুধু শিক্ষক নয়, অভিভাবক ও সমাজকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিদ্যালয়ের গুরুত্ব বোঝাতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। পাশাপাশি সরকারকেও নিয়মিত শিক্ষাকর্মশালা আয়োজন এবং বিদ্যালয় ও কোচিং শিক্ষার মধ্যে তুলনামূলক মূল্যায়ন করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। বিশ্লেষকরা মনে করেন, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে দৃঢ় প্রশাসনিক কাঠামো এবং কার্যকর নিয়ম-নীতি থাকা প্রয়োজন। অন্যথায় শিক্ষার্থীরা তাদের ইচ্ছামতো চলাফেরা করবে, যা বিদ্যালয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করবে। সমাজের বিশিষ্টজনদের ভাষায়—“শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর। তারা যদি নিজেরাই উদাসীন হন, তাহলে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে টেনে আনা সম্ভব নয়। শিক্ষার মান বৃদ্ধি, নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষক-অভিভাবকের যৌথ দায়িত্বশীলতা এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় কুষ্টিয়ার এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সুনাম ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোর পথ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় অনুপম