| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

বাংলাদেশের সীমান্তে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায়ে বিজিবির সাহসিক নেতৃত্বে স্বস্তি ফিরেছে সীমান্ত জনপদে

রিপোর্টারের নামঃ MD MUNZURUL ISLAM
  • আপডেট টাইম : 19-10-2025 ইং
  • 133226 বার পঠিত
বাংলাদেশের সীমান্তে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায়ে বিজিবির সাহসিক নেতৃত্বে স্বস্তি ফিরেছে সীমান্ত জনপদে
ছবির ক্যাপশন: বাংলাদেশের সীমান্তে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায়ে বিজিবির সাহসিক নেতৃত্বে স্বস্তি ফিরেছে সীমান্ত জনপদে

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বর্তমানে অত্যন্ত দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করছে। বিজিবির সাহসিক নেতৃত্ব, পেশাদারিত্ব এবং নিরলস প্রচেষ্টার কারণে সীমান্ত এলাকাগুলোতে এখন বিরাজ করছে এক অভূতপূর্ব শান্তি ও স্বস্তির পরিবেশ।

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার ক্ষেত্রে বিজিবি যেমন সর্বদা তৎপর, তেমনি দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতেও রাখছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। সীমান্ত এলাকায় নানা ধরনের চোরাচালান, অনুপ্রবেশ ও অপরাধ দমনে বিজিবির সদস্যরা দিনরাত টহল দিচ্ছেন নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে।

বিজিবির এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে মহাপরিচালকের সাহসিক নেতৃত্ব ও দূরদর্শী পরিকল্পনা। সীমান্ত সুরক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং জনসম্পৃক্ততার সমন্বয়ে বিজিবি গড়ে তুলেছে এক শক্তিশালী ও জনবান্ধব নিরাপত্তা বলয়।

বর্তমান বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, ওএসপি, বিএসপি, এসইউপি, বিজিবিএম, এনডিসি, পিএসসি, এমফিল-এর নেতৃত্বে সীমান্ত এলাকায় আগের মতো অঘটনের খবর এখন আর শোনা যায় না। বিশেষ করে কুষ্টিয়া জেলার সীমান্ত অঞ্চলগুলো, যেখানে অতীতে চোরাচালান, মাদক ও মানবপাচারের মতো ঘটনা ঘটত, সেখানে এখন শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিজিবির কঠোর নজরদারি, টহল বৃদ্ধি ও জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপনের ফলে সীমান্তে এখন বিরাজ করছে স্থিতিশীলতা ও আস্থা।

মেজর জেনারেল আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর দূরদর্শী নেতৃত্বে বিজিবি এখন আরও আধুনিক, দক্ষ ও জনবান্ধব বাহিনীতে রূপ নিচ্ছে। তিনি সেনাসদরে সামরিক প্রশিক্ষণ পরিদপ্তরের পরিচালক, ৯ আর্টিলারি ব্রিগেড এবং ১৭ পদাতিক ডিভিশনের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। সীমান্ত নিরাপত্তায় তার কৌশলগত চিন্তা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা বিজিবিকে দিয়েছে নতুন গতি।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দেশের সার্বিক শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। ২০২৪ সালের ২৩ জুন তিনি সেনাপ্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও দক্ষতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তায় বিজিবি ও সেনাবাহিনীর পারস্পরিক সমন্বিত কার্যক্রম এখন জাতীয় নিরাপত্তার অন্যতম স্তম্ভে পরিণত হয়েছে।

এদিকে স্থানীয়দের মতে, বর্তমান সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিবিড় তত্ত্বাবধানেও সীমান্ত এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করছে। আগে যেসব এলাকায় প্রায়ই অশান্তি বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর পাওয়া যেত, সেখানে এখন সাধারণ মানুষ নিশ্চিন্তে বসবাস ও কৃষিকাজ করছেন।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “বিজিবির টহল ও দায়িত্বশীল আচরণের কারণে এখন আমরা অনেক নিরাপদে বসবাস করছি। সীমান্তে আগের মতো কোনো উত্তেজনা নেই।”

বিজিবির এই প্রশংসনীয় ভূমিকা কেবল সীমান্ত সুরক্ষায় নয়, দেশের সার্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সরকারের নীতিগত দিকনির্দেশনা ও সেনা প্রধানের তত্ত্বাবধানে বিজিবি আজ এক আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে দেশের সীমান্ত জনপদে।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোর পথ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় অনুপম