কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে পদ্মা নদীর চরে যাতায়াতের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে একটি কাঠের সেতু। এতে করে এলাকার শত শত কৃষকের কষ্ট লাঘব হয়েছে, ফিরেছে স্বস্তি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়ার সাবেক জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় এবং উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে, ভেড়ামারা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সার্বিক সহযোগিতায় জনভোগান্তি কমাতে এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়। বহুদিনের দাবি ও প্রয়োজন থেকেই বাস্তবায়িত হয়েছে এই উদ্যোগ।
পদ্মা নদীর চরে বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন স্থানীয় কৃষকেরা। কিন্তু উৎপাদিত ফসল ঘরে তুলতে গিয়ে তাদের পড়তে হতো চরম ভোগান্তিতে। নদী পাড়ি দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে ফসল আনা ছিল নিত্যদিনের বাস্তবতা। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি হয়ে উঠত আরও বিপজ্জনক।
কৃষকদের অভিযোগ, গত বর্ষায় ফসল পরিবহনের সময় দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান দু’জন কৃষক। এছাড়া অনেকে পানিতে পড়ে আহত হয়েছেন, নষ্ট হয়েছে কষ্টার্জিত ফসল। এতে যেমন আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, তেমনি তৈরি হয়েছে আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তা।
এই বাস্তবতায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগে নির্মিত হয় কাঠের এই সেতু। সেতুটি চালু হওয়ার পর এখন কৃষকেরা নিরাপদ ও সহজ উপায়ে চরে যাতায়াত করতে পারছেন এবং নির্বিঘ্নে ফসল ঘরে তুলছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, এই সেতু শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটায়নি, বরং কৃষকদের জীবনে এনেছে স্বস্তি ও আত্মবিশ্বাস। কমেছে সময় ও পরিবহন খরচ, হ্রাস পেয়েছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।
সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা ভবিষ্যতে আরও স্থায়ী ও টেকসই অবকাঠামো নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন।
ভেড়ামারার এই উদ্যোগ প্রমাণ করে—সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকলে স্থানীয় সমস্যার সমাধান সম্ভব। আর সেই উদ্যোগই বদলে দিতে পারে মানুষের জীবনযাত্রার চিত্র।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |