| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কে উন্নয়নের জোয়ার জনভোগান্তি কমাতে দৃশ্যমান অগ্রগতি

রিপোর্টারের নামঃ MD MUNZURUL ISLAM
  • আপডেট টাইম : 19-05-2026 ইং
  • 6585 বার পঠিত
কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কে উন্নয়নের জোয়ার  জনভোগান্তি কমাতে দৃশ্যমান অগ্রগতি
ছবির ক্যাপশন: কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কে উন্নয়নের জোয়ার জনভোগান্তি কমাতে দৃশ্যমান অগ্রগতি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম

কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কের দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ চেহারা, ধুলাবালি আর অসহনীয় যানজট—সবকিছু মিলিয়ে যে দুর্ভোগ ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী, তা এখন ধীরে ধীরে অতীতের খাতায় স্থান করে নিচ্ছে। জনদুর্ভোগ লাঘব ও আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম, যার ইতিবাচক প্রভাব ইতোমধ্যেই দৃশ্যমান।

প্রতিদিন হাজারো যানবাহনের চাপ সামলাতে গিয়ে সড়কের বিভিন্ন অংশে সৃষ্টি হয়েছিল অসংখ্য খানাখন্দ ও ভাঙন। আলামপুর, লক্ষীপুর, মধুপুর এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় ধুলায় আচ্ছন্ন পরিবেশে যাত্রীদের ভোগান্তি ছিল চরমে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে কাদায় পরিণত হওয়া এই সড়কটি যেন এক দুর্ভোগের প্রতীক হয়ে উঠত।ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়-এর শিক্ষার্থীদের প্রতিদিনের যাতায়াতও হয়ে উঠেছিল দুর্বিষহ।

এই প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে শুরু হয়েছে সড়কটির সংস্কার ও প্রশস্তকরণ কাজ। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে নির্মাণ কার্যক্রম। কোথাও পুরনো সড়ক অপসারণ করে নতুন বেস নির্মাণ, আবার কোথাও বিটুমিনাস কার্পেটিং—সব মিলিয়ে সমন্বিত উন্নয়নের এক বিস্তৃত চিত্র ফুটে উঠেছে পুরো মহাসড়কজুড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও নিয়মিত যাত্রীদের মুখে এখন স্বস্তির হাসি। তাদের প্রত্যাশা, এই উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হলে শুধু যাতায়াত সহজ হবে না, বরং ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিতেও আসবে নতুন গতি। কৃষিপণ্য ও শিল্পপণ্যের দ্রুত পরিবহন নিশ্চিত হওয়ায় আঞ্চলিক বাণিজ্য প্রসার লাভ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

একজন অভিজ্ঞ ট্রাকচালক বলেন, “আগে এই রাস্তায় চলতে গেলে সময় বেশি লাগত, গাড়িরও ক্ষতি হতো। এখন কাজের অগ্রগতি দেখে আশা করছি—খুব শিগগিরই স্বস্তিতে চলাচল করতে পারবো।”

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ করতে দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ চলছে। নির্মাণকালীন সময়ে যান চলাচল সচল রাখতে নেওয়া হয়েছে বিকল্প ব্যবস্থাও, যাতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ যতটা সম্ভব কমানো যায়।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম চালিকাশক্তি। উন্নত সড়ক যোগাযোগ বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে এবং সামগ্রিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করে।

সবশেষে বলা যায়, কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কের এই উন্নয়ন কার্যক্রম কেবল একটি সড়কের সংস্কার নয়—এটি মানুষের স্বস্তি, সম্ভাবনা ও সমৃদ্ধির পথে এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রযাত্রা। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী দিনে এই মহাসড়ক হয়ে উঠবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবাহের এক শক্তিশালী সেতুবন্ধন।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোর পথ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় অনুপম