কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদ ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত আটজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। একই ঘটনায় এক সংসদ সদস্যের ব্যবহৃত গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রাজনৈতিক আধিপত্যসহ বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরেই সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় একপর্যায়ে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি অবস্থানে জড়িয়ে পড়েন। প্রথমে কথাকাটাকাটি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও পরে তা দ্রুত সংঘর্ষে রূপ নেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষের লোকজন একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। শুরু হয় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া। এতে কয়েকজন আহত হন। সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তার শঙ্কায় পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ সময় একটি সংসদ সদস্যের ব্যবহৃত গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, সংঘর্ষের মধ্যে গাড়িটিতে হামলা চালানো হলে সেটির বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে গাড়ি ভাঙচুরের সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পরে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতান্ত্রিক সমাজে থাকতেই পারে; কিন্তু সেই মতপার্থক্য যদি সংঘর্ষ, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও যানবাহন ভাঙচুরে রূপ নেয়, তা জননিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক। তাঁদের দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
তবে সংঘর্ষের সুনির্দিষ্ট কারণ, আহতদের প্রকৃত সংখ্যা, সংসদ সদস্যের গাড়ির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং এ ঘটনায় কোনো মামলা বা গ্রেপ্তার হয়েছে কি না—এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |