কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম
পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনেও সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে কুষ্টিয়ার হাসিব ড্রিম স্কুল কলেজ। ৫৩তম জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর জেলা পর্যায়ে কাবাডি (বালক) বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির দল। এ জয়ের মধ্য দিয়ে বিভাগীয় পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে তারা।
কুষ্টিয়া জেলা শিক্ষা অফিস আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দল অংশ নেয়। প্রতিযোগিতার মাঠে দারুণ নৈপুণ্য, শৃঙ্খলা ও দলীয় সমন্বয়ের পরিচয় দিয়ে শেষ পর্যন্ত শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট ছিনিয়ে নেয় হাসিব ড্রিম স্কুল কলেজের কাবাডি দল।
জেলা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আনন্দের আবহ তৈরি হয়। খেলোয়াড়দের সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ তাদের অভিনন্দন জানিয়েছে এবং বিভাগীয় পর্যায়েও ভালো ফলাফলের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।
হাসিব ড্রিম স্কুল কলেজের কাবাডি দলের খেলোয়াড়রা হলেন—নবম শ্রেণির প্রাঞ্জল কুমার দাস, এম এ সাদিক, জাকারিয়া রহমান নাঈম, মো. ফাহিম মুনায়েম মুনিম, মো. আব্দুর রহমান, মো. তাসদিক আল রুশাফি, ইশরাক মাহমুদ, রাফিদ মোস্তফা ও এস এম মনিরুজ্জামান শিশির। অষ্টম শ্রেণির খেলোয়াড়রা হলেন—মীর মো. আইয়্যান ও তাহমিদ হুসাইন রাফি।
প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের পাশাপাশি খেলাধুলায়ও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এসএসসি, জুনিয়র ও প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় নিয়মিত সাফল্যের পাশাপাশি ক্রীড়াক্ষেত্রেও নিজেদের সক্ষমতার জানান দিয়ে আসছে হাসিব ড্রিম স্কুল কলেজ।
শিক্ষা ও ক্রীড়ার সমন্বিত চর্চার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্বগুণ ও দলগত মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। জেলা পর্যায়ে কাবাডিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার এই অর্জন প্রতিষ্ঠানটির ক্রীড়া কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
জেলা চ্যাম্পিয়নের ট্রফি এখন হাসিব ড্রিম স্কুল কলেজে। তবে এখানেই থামতে চায় না দলটি। বিভাগীয় পর্যায়ে নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিয়ে কুষ্টিয়ার মুখ উজ্জ্বল করার লক্ষ্য নিয়েই পরবর্তী লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে তরুণ কাবাডি খেলোয়াড়রা।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |