কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম
কৃষির জন্য হুমকিস্বরূপ বিষাক্ত আগাছা পার্থেনিয়াম দমনে সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন ও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দৌলতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা। তিনি বলেন, এই আগ্রাসী আগাছা শুধু কৃষিজমির উর্বরতা ও ফসল উৎপাদনই ব্যাহত করে না, বরং মানুষের স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্যও মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে।
সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পার্থেনিয়াম আগাছার বিস্তার লক্ষ্য করা গেছে। এ প্রেক্ষাপটে কৃষি বিভাগ মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সচেতন করতে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, পার্থেনিয়াম দ্রুত বংশবিস্তারকারী একটি বিদেশি আগাছা, যা রাস্তার ধারে, খালি জমি, ফসলের ক্ষেত ও বসতভিটার আশপাশে সহজেই ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, “পার্থেনিয়াম আগাছার সংস্পর্শে এলে মানুষের ত্বকে চুলকানি, অ্যালার্জি, শ্বাসকষ্টসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গে এটি গবাদিপশুর জন্যও ক্ষতিকর। তাই আগাছাটি ফুল ও বীজ উৎপাদনের আগেই শিকড়সহ তুলে ধ্বংস করতে হবে।”
কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, পার্থেনিয়াম আগাছা অপসারণের সময় হাতে গ্লাভস ও মুখে মাস্ক ব্যবহার করতে। আগাছা তুলে নিরাপদ স্থানে মাটিচাপা দেওয়া বা পুড়িয়ে ফেলতে হবে, যাতে এর বীজ পুনরায় ছড়িয়ে পড়তে না পারে।
স্থানীয় কৃষকরাও কৃষি বিভাগের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা গেলে পার্থেনিয়ামের বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে এবং কৃষিজমি ও পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখা যাবে।
দৌলতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, “পার্থেনিয়াম দমন শুধু কৃষি বিভাগের একার কাজ নয়। এটি একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। কৃষক, শিক্ষার্থী, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণ সবাই একসঙ্গে কাজ করলে এই বিষাক্ত আগাছার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে।”
কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, পার্থেনিয়াম আগাছা নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত উদ্যোগই হতে পারে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। তাই পরিবেশ ও কৃষি সুরক্ষায় এখনই এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |