কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, কুষ্টিয়া ইউনিটের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল। গভীর শ্রদ্ধা, আবেগ এবং দেশপ্রেমময় পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে আত্মত্যাগ, সাহস, গণমানুষের অধিকার এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। শহীদদের রক্তে অর্জিত এই চেতনা কেবল স্মৃতিচারণের বিষয় নয়; বরং একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের প্রতিটি উদ্যোগে তা ধারণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। তাঁদের আত্মদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশপ্রেম, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধে উজ্জীবিত করার এক অক্ষয় প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, কুষ্টিয়া ইউনিটের নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রাজ্জাক এবং ইউনিটের সেক্রেটারি মো. আক্তারুজ্জামান (কাজল মাজমাদার)। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইউনিটের সম্মানিত সদস্য মিরাজুল ইসলাম (রিন্টু), সুলতান মারুফ তালহা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধাবৃন্দ, রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবক ও সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
বক্তারা আরও বলেন, মানবতার সেবায় নিবেদিত বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি শুধু দুর্যোগ ও সংকটকালে মানবিক সহায়তা প্রদানেই নয়, জাতীয় চেতনা, সহমর্মিতা, সামাজিক সম্প্রীতি এবং মানবিক মূল্যবোধ বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি প্রকৃত সম্মান জানাতে সমাজে ন্যায়, শান্তি, সহনশীলতা ও মানবিকতার চর্চা আরও বিস্তৃত করার ওপর তাঁরা গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে দেশ, জাতি এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী সকল বীর শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালিত হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশের শান্তি, সমৃদ্ধি, স্থিতিশীলতা এবং সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণ কামনা করা হয়।
শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও দেশপ্রেমের আবহে সম্পন্ন হওয়া এ আয়োজন উপস্থিত সবার মধ্যে নতুন প্রত্যয় সৃষ্টি করে। তাঁদের বিশ্বাস, বীর শহীদদের আত্মত্যাগের মহান আদর্শ ধারণ করেই গড়ে উঠবে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ—যেখানে গণমানুষের অধিকার, মর্যাদা এবং মানবিক মূল্যবোধ সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |