মেহেরপুর প্রতিনিধি :
আজ মেহেরপুরের গণমাধ্যম অঙ্গনে নেমে এসেছে নীরবতার দীর্ঘ ছায়া। প্রবীণ আইনজীবী প্রয়াত অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ খানের দ্বিতীয় সন্তান, মেহেরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, দৈনিক মেহেরপুর পত্রিকার সম্পাদক ও আলো প্রিন্টিং প্রেসের স্বত্বাধিকারী—প্রয়াত সাংবাদিক রশিদ হাসান খান আলোর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। দিনটি ঘিরে পরিবার-পরিজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও অগণিত পাঠকের হৃদয়ে ফিরে ফিরেই ভেসে উঠছে তাঁর সততা, সাহস আর মানবিকতার স্মৃতি।
এক বছর আগে এই দিনে মেহেরপুর হারিয়েছিল এক নির্ভীক কলমযোদ্ধাকে—যিনি আজীবন সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন অবিচলভাবে। সাংবাদিকতা তাঁর কাছে ছিল কেবল পেশা নয়; ছিল মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা, সমাজের প্রতি অঙ্গীকার। সংবাদকাগজের প্রতিটি লাইনে তিনি তুলে ধরতে চেয়েছেন প্রান্তিক মানুষের কথা, বঞ্চিতের বেদনা এবং সময়ের নির্ভেজাল সত্যচিত্র।
মেহেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে পেশাগত ঐক্য সুদৃঢ় করা, সাংবাদিকদের অধিকার সুরক্ষা এবং নৈতিক মান উন্নয়নে তিনি রেখেছেন সুদূরপ্রসারী ভূমিকা। দৈনিক মেহেরপুর পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে স্থানীয় সংবাদ পেয়েছে জাতীয় পরিসরে নতুন মর্যাদা। একই সঙ্গে আলো প্রিন্টিং প্রেসের মাধ্যমে তিনি জেলার মুদ্রণশিল্পে এনেছেন শৃঙ্খলা, মান ও পেশাদারিত্বের দৃষ্টান্ত।
ব্যক্তিজীবনে রশিদ হাসান খান আলো ছিলেন বিনয়ী, সদালাপী ও গভীরভাবে সহমর্মী মানুষ। ছোট-বড় সকলের সঙ্গে তাঁর আচরণে ছিল আন্তরিকতা ও সম্মানবোধ। পরিবারে তিনি ছিলেন নির্ভরতার আশ্রয়, সহকর্মীদের কাছে ছিলেন ভরসার ঠিকানা। তাঁর অকালপ্রয়াণ কেবল একটি পরিবারকেই নয়—মেহেরপুরের সাংবাদিকতা অঙ্গনকে করেছে দিশেহারা।
আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে। শোকসন্তপ্ত স্বজনরা সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন—আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শ ও মূল্যবোধ আমাদের পথচলায় আলোকবর্তিকা হয়ে থাকে।
রশিদ হাসান খান আলো নেই—কিন্তু তাঁর কলমের আলো, সততা ও সাহস চিরকাল জ্বলজ্বল করবে মেহেরপুরের ইতিহাসে। আমরা সবাই তাঁর জন্য দোয়া করি—আমীন।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |