কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের কুন্টিয়ারচর এলাকার এক কিলোমিটারেরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এখন যেন দুর্ভোগের আরেক নাম। সংস্কারের আশায় রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি করা হলেও দীর্ঘদিন ধরে কাজ শেষ না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। খানাখন্দ, কাদা ও ভাঙাচোরা অংশে ভরা সড়কটি বর্তমানে অনেকটাই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তা মেরামতের জন্য খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে তা বেহাল অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের বিভিন্ন অংশে পানি জমে যায়। কোথাও সৃষ্টি হয় কাদা, আবার কোথাও বড় বড় গর্ত। এতে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারী, শিক্ষার্থী, কৃষকসহ হাজারো মানুষকে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কুন্টিয়ারচরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের জন্য সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পথ দিয়েই শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে যায়, কৃষকরা মাঠ থেকে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারে নিয়ে যান এবং অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়ার ক্ষেত্রেও এ সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কারকাজ শেষ না হওয়ায় জনদুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। কাদা ও গর্তের কারণে ভ্যান, ইজিবাইক ও মোটরসাইকেল চালকদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। অনেক সময় যানবাহন কাদায় আটকে পড়ছে, আবার গর্তে পড়ে ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটির বেহাল দশার কারণে শুধু যাতায়াতই নয়, স্থানীয় কৃষিপণ্য পরিবহন এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সময়মতো বাজারে পণ্য পৌঁছাতে না পারায় কৃষকরাও নানা সমস্যার মুখে পড়ছেন।
স্থানীয়রা দ্রুত সড়কটির সংস্কারকাজ সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, এক কিলোমিটারের বেশি এই সড়কটি সংস্কার করা হলে কুন্টিয়ারচরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি ও যোগাযোগব্যবস্থায় গতি ফিরবে।
সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের প্রতি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে এলাকাবাসী বলেন, মানুষের দৈনন্দিন চলাচলের এই গুরুত্বপূর্ণ পথটি আর অবহেলায় পড়ে থাকতে পারে না। খোঁড়াখুঁড়ির পর দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকা সড়কটির সংস্কার দ্রুত সম্পন্ন করে জনদুর্ভোগের অবসান ঘটানো এখন সময়ের দাবি।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |