কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানা এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক নির্মূল এবং সামাজিক অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মামুনুর রশীদ। অপরাধ দমনে কোনো ধরনের আপস না করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি জানিয়েছেন, মাদক, কিশোর গ্যাং ও অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
এক সাক্ষাৎকারে ওসি এস এম মামুনুর রশীদ বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে আমার অবস্থান জিরো টলারেন্স। মাদক কারবারি কিংবা সেবনকারী—কাউকেই বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক নির্মূলে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, ইবি থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা এবং বিভিন্ন ধরনের সামাজিক অপরাধ দমনে পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। অপরাধী যে-ই হোক, তার পরিচয় কিংবা প্রভাব বিবেচনায় নেওয়া হবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অপরাধের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ওসি মামুনুর রশীদের মতে, একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠায় শুধু পুলিশের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সাধারণ মানুষের সচেতনতা, পারিবারিক দায়িত্ববোধ এবং সামাজিক প্রতিরোধ। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানান। তার ভাষ্য, জনগণের সহযোগিতা ও পুলিশের দায়িত্বশীল ভূমিকার সমন্বয় ঘটলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর অগ্রগতি সম্ভব।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই থানা এলাকার শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও তরুণদের জন্য মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়টি স্থানীয়ভাবে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
সব মিলিয়ে ইবি থানা এলাকায় মাদক, কিশোর গ্যাং ও সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর অবস্থানের ঘোষণা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে। তবে এই প্রত্যয়ের বাস্তব প্রতিফলন কতটা ধারাবাহিকভাবে মাঠপর্যায়ে কার্যকর হয়, তা নির্ভর করবে নিয়মিত অভিযান, নিরপেক্ষ আইন প্রয়োগ এবং জনসম্পৃক্ততার ওপর।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |